Header Ads

পশ্চিমবঙ্গের নাম বদল নিয়ে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্ৰী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নয়াঠাহর প্ৰতিবেদন, কলকাতাঃ পশ্চিমবঙ্গের নাম বদল নিয়ে প্ৰায় দুবছর ধরে টালবাহানা চলছে। বুধবার এবিপি আনন্দকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে প্ৰতিক্ৰিয়া জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্ৰী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুম্বই, ওড়িশা, পণ্ডিচেরির নাম যদি বদল হতে পারে তাহলে পশ্চিমবঙ্গের নাম কেন বদলে ‘বাংলা’ হবে না? ফের প্ৰশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে কেন্দ্ৰ একতরফাভাবে কারও সঙ্গে কোনওরকম পরামৰ্শ না করেই নিজেদের রাজনৈতিক স্বাৰ্থ সিদ্ধির উদ্দেশ্যে যা ইচ্ছা তা করে চলেছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি ৪ থেকে ৫ বার স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্ৰী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গেও দেখা করেছেন। এখনও পৰ্যন্ত কোনও কাজ হয়নি। ২ অগাস্ট ২০১৬, দুবছরেরও বেশি সময় হল মন্ত্ৰীসভায় রাজ্যের নাম বদলের প্ৰস্তাব পাশ হয়েছে। ২৯ অগাস্ট বিধানসভায় প্ৰস্তাব পাশ হয়েছে। তিনটে নাম দেওয়া হয় তখন বাংলা, বেঙ্গল, বঙ্গাল। তখন কেন্দ্ৰ জানাল যে এক রাজ্যে তিনটে নাম হতে পারেনা। ২৬ জুলাই ২০১৮ সবথেকে গুরুত্বপূৰ্ণ সেখানে বিধানসভায় সৰ্বসম্মতিক্ৰমে প্ৰস্তাব সরকার পাশ করে। তার পরেও কোথায় আটকে গেল। মমতার মতে, বিষয়টি রাজনৈতিক ফাঁসে আটকে গেছে। তাঁর মতে কেন্দ্ৰ এনআরসির নাম করে বলছে বাঙালি হঠাও। আর দিল্লিতে গিয়ে বলছে বাংলা নামে রাজ্য হবে না। এরা গুজরাত থেকে বিহারী তাড়াচ্ছে। আমাদের বাংলায় আমরা সবাই মিলে বাস করি। কেউ নেপালি ভাষায় কথা বললে আমরা তাঁকে শ্ৰদ্ধা জানাই। রাজবংশী, কামতাপুরি সমেত আরও অন্যান্য ভাষাকে শ্ৰদ্ধা জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ‘ওয়েস্টবেঙ্গল’ নাম থাকার ফলে ইংরেজি অক্ষর অনুসারে কোথাও সবার শেষে ছেলেমেয়েদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। কোথাও বক্তৃতা দিতে গেলে সবাই বক্তৃতা দিয়ে চলে যান, আর আমাদের সবার শেষে বক্তৃতা দেওয়ার সময় আসে। যে ভাষায় আমরা কথা বলি সে ভাষায় যদি রাজ্যের নাম হয় তাতে আপত্তি কোথায় প্ৰশ্ন তোলেন তিনি। আমরা পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের প্ৰস্তাব সাংবিধানিকভাবে কেন্দ্ৰের কাছে পাঠিয়েছি।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.