Header Ads

মদন মোহন তর্কালঙ্কার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে কান্দি র দায়িত্ব পালন করেন

আজ ৩ রা জানুয়ারি
মদন মোহন তর্কালংকার মহাশয়ের শুভ
আবির্ভাব / জন্ম হয়েছিল ১৮১৭ খ্রীষ্টাব্দে
এক গোঁড়া ব্রাহ্মণ পরিবারে । তিনি
ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের অতি
ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন । উভয়ে মিলে বাংলায়
স্ত্রী শিক্ষার ব্যপারে প্রভূত উন্নতির দিকে এগিয়ে যান । এ সম্বন্ধে তাঁর বহু গ্রন্থের
মধ্যে ১৮৫০ খ্রীঃ বিশেষ প্রবন্ধরের প্রকাশ
 ' স্ত্রী শিক্ষা ' I
১৮৫৫ খ্রীঃ ২৮ শে নভেম্বর মাসে ১৮৫৬
ডিসেম্বর পর্য্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলায়
বহরমপুরে ডিপুটি ম্যজিস্ট্রেট পদে নিযুক্ত
ছিলেন | ১৮৫৭ খ্রীঃ জানুয়ারিতে আমৃত্যু
কান্দি মহাকুমার দায়িত্ব পালন করেছেন ।
এখনও কান্দি রাজ স্কুলে তাঁর একটি মর্মর
মূর্তি স্থাপিত আছে।
১৮৫৮ খ্রীঃ ৯ ই মার্চ তিনি কলেরা রোগে
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন । সেই কত
কাল আগে তাঁর লেখা কবিতা পড়েছিলাম ।
       "পাখি সব করে রব রাত্রি পোহাইল
       কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল" | |

তাই তাঁকে নিয়ে, কিছু লিখে তাঁকে শ্রদ্ধা
নিবেদন করার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা .......
                           তপন দাস ।
শিশু মনে আঁকতে প্রভাতী ছবিটা
লিখেছেন 'শিশুশিক্ষা' প্রথম কবিতা I
সমাজ সচেতক মদন মোহন তর্কালংকার
তাঁর নতুন করে পরিচয়ে নাই দরকার I
এসেছিলেন মুর্শিদাবাদে বহরমপুর শহরে
কান্দির দেখাশোনার দায়িত্বও তাঁর উপরে I
নারী শিক্ষার সহায়তায় বেথুন সাহেবকে
পক্ষে বিপক্ষে যাঁরা,- দিলেন সবাইকে । নিজ কন্যা দুই, ভুবন মালা কুন্দমালাকে
সামিল করেন তিনি যত্নে প্রথম ভাগে ।
বিদ্যার সাগর যিনি দয়ারও সাগর
তাঁকেই করেছিলেন নারী শিক্ষার দোসর |
ধন্য জেলা মুর্শিদাবাদ ধন্য হলো কান্দি
সাধেই কি তাঁর নাম বার বার সাধি?
                   🙏

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.