Header Ads

মুর্শিদাবাদ জেলার গঙ্গা তলিয়ে যাচ্ছে

বসে গেল ১৫ মিটার নদীর পার 

 শীতে জল কমেছে গঙ্গায়। ফরাক্কা ও শমসেরগঞ্জে তবু ভাঙনের আশঙ্কা কাটছে না। সোমবার রাত থেকে ফের শুরু হয়েছে নদীর পার ভাঙ্গা। ফরাক্কার সাঁকোপাড়া ও শমসেরগঞ্জের নিমতিতা পঞ্চায়েতের শিবনগরে। সাঁকোপাড়ায় পার বাঁধানো রয়েছে বালির বস্তা দিয়ে। একই ভাবে, মুস্কিনগর প্রাথমিক স্কুল লাগোয়া পাড়ের পাথর বাঁধানো কিছু অংশও বসে গিয়েছে। শিবনগরে প্রায় ২০০ মিটার এলাকা জুড়ে নদীপারের মাটি ফেটে গিয়েছে সোমবার রাতে। তবে ওই জায়গায় বাড়ি না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি বিশেষ হয়নি।
   ফরাক্কায় সাঁকোপাড়ায় ভাঙনের খবর পেয়েই সেখানে যান প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের এক সদস্য মহসিনা খাতুন। মহসিনা বলেন, "নদীর জলস্তর অনেক নীচে রয়েছে। নদীর মাঝখানে চর পড়ায় জলের স্রোত বইছে পশ্চিম দিকের পার ঘেঁষে। এতটাই তীব্র সেই স্রোত যে মনে হচ্ছে যেন বর্ষাকালের নদী। সোমবার রাতে প্রায় এক বিঘা জমি-সহ ১৫ মিটার বসে গিয়েছে। লোকালয় ওই জায়গা থেকে প্রায় ৭০০ মিটার দূরে।" 
  মইনুল বলেন, "এখন ভাঙন হওয়ার কথা নয়। ওই জায়গা দিয়ে যানও চলাচল করে না। ২০০৫ সালে স্পার বাঁধানো ছিল পাথর দিয়ে। পরে তা ধসে গেলে বালির বস্তা ফেলা হয়েছিল। কিন্তু নদীপারের ১৫ মিটার গর্ত হয়ে গিয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বিপদে পড়তে হবে আগামী বর্ষায়। আমি সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়াকে ফোন করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করব।" নিয়তিতার শিবিনগরের ভাঙন অদ্ভুত আকার নিয়েছে। সোমবার রাতে গ্ৰামবাসীরা দেখতে পান, নদীপারের মাটি ফেটে যাচ্ছে। মাঝেমধ্যেই গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ওই গ্ৰামের বাসিন্দা মানিরুল শেখ বলেন, "ভাঙনের এই আকার কখনও চোখে পড়েনি। শীতে কোনও সময় গঙ্গায় এত জল থাকে না। এ বার যেন কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে আমরা আতঙ্কিত।"

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.