Header Ads

মুর্শিদাবাদ জেলাকে ঘিরছে বাংলদেশে জঙ্গিরা

মুর্শিদাবাদে জঙ্গি যোগ 

 ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর 
   
 বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় নাম জড়িয়ে গিয়েছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ডোমকলের ঘোড়ামারা এবং বক্সিপুর, লালগোলার মুকিমনগর, বহরমপুরের উপরডিহা, নবগ্ৰামের তালগোডিয়া, রঘুনাথগঞ্জ ও শমসেরগঞ্জের। সেই মামলায় ২০১৯ সালের ৩০ অগস্ট রায়  ঘোষণা হয়েছে। ১৯ জন সাজাপ্রাপ্তের মধ্যে রঘুনাথগঞ্জের রেজাউল করিম, শমসেরগঙের নামো চাচণ্ডের আব্দুল ওয়াহাব মোমিন, ডোমকলের বক্সিপুরের নুরুল হক মণ্ডল, লালগোলার মকিমনগরের মাদ্রাসার মালিক মকিমণগরের মাদ্রাসার মালিক মোফাজ্জুল হোসেন, বহরমপুরের উপরডিহার হাবিবুর রহমান এবং নবগ্ৰামের তালগেড়িয়ার আলিয়া বিবি ও তাঁর স্বামী আব্দুল হাকিম-সহ মোট আট জন ছিলেন মুর্শিদাবাদের।
   
 ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি প্রথম সপ্তাহ
      জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে শমসেরগঞ্জ এলাকা থেকে ৬ জন গ্ৰেফতার হয়েছিল বেঙ্গল এসটিএফের হাতে।
   
 ২০২০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর 
    মুর্শিদাবাদের ডোমকল রানিনগর, জলঙ্গি এবং কেরলে অভিযোগ চালিয়ে জঙ্গি সন্দেহে ৯ জনকে গ্ৰেফতার করেছিল এনআইএ। সে দফার মুর্শিদাবাদ থেকে ৬ জনকে এবং কেরল থেকে ৩ জনকে গ্ৰেফতার করেছিল এনআইএ। সে সময় জলঙ্গিতে বিএসএফ ক্যাম্পে এনআইএ ক্যাম্প করে সন্দেহভাজনদের ডেকে জিজ্ঞেসাবাদ করার পাশাপাশি ডোমকল মহকুমার বিভিন্ন গ্ৰামে তল্লাশি চালায়।
   
   ২০২০ সালের ১ নভেম্বর 
     রানিনগরের নজরানা গ্ৰাম থেকে আব্দুল মোমিন মণ্ডল নামে বেঙ্গল এসপিএফ থেকে আমাদের জানানো হয়েছিল অসম এসপিএফ সেখানকার কোনও মামলায় অভিযোগ চালাতে চায়। সঙ্গে বেঙ্গল এসটিএফেও। 

  বাংলাদেশের পালাবদলের পরে ছাড়া পায় আনসারুল্লা বাংলার প্রধান জসিমউদ্দিন রহমানি। 
  . তার নির্দেশে মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকে জঙ্গি মহম্মদ শাদ রাড়ি।
  . সেখানে তার সঙ্গে মিনারুল ও আব্বাস একাধিক বার দেখা করে।
   . মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা, জলঙ্গি ও আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায় স্লিপার সেলের একাধিক বৈঠক।
  . আলিপুরদুয়ারেও স্লিপার সেল তৈরির চেষ্টা।
  আনসারুল্লা বাংলার মূল উদ্দেশ্য ছিল চিকেন'স নেক'-এ হামলা।
  . গোপনে অস্ত্র সংগ্রহও করতে চাইছিল তারা। 
. বহু যুবকের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করে বলে গোয়েন্দাদের তথ্য।
  . সবার খোঁজ এখনও পাননি গোয়েন্দারা। 
. মহম্মদ শালকে কেরল থেকে ধরে পুলিশ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.