দিল্লিতে বিজয়া সম্মেলনে র সফল উদযাপন
*দিল্লির শ্রীহট্ট সম্মিলনীর বিজয়া সম্মেলনের সফল আয়োজন*
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, দিল্লি - দিল্লির শ্রীহট্ট সম্মিলনীর "বিজয়া সম্মেলন" প্রতিবছরের মতো এবারও রবিবার অনুষ্ঠিত হল হর্ষ এবং উল্লাসের সঙ্গে বেঙ্গলি মার্কেটস্থিত এন ডি এম সি কমিউনিটি সেন্টারে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয় 'মিষ্টি মুখের' মাধ্যমে। নয়ডা, ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদ, হিসার, জয়পুর এবং দিল্লির নানান অঞ্চল থেকে প্রদুষণকে উপেক্ষা করে সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন। সভাপতি পৃথ্বীশ চক্রবর্তী, সাধারন সম্পাদক কেশব মিশ্র, কোষাধ্যক্ষ তপন চক্রবর্তী এবং বিশিষ্ট সদস্যদের দ্বারা প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
সভার প্রারম্ভে সম্মিলনীর পূর্ব সাধারন সম্পাদক জয়শঙ্কর ভট্টাচার্য্য উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানান এবং সম্মিলনীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্মরণ করেন। বর্তমান সদস্যদের তাদের অনুপ্রেরণায় এগিয়ে যাওয়ারও পরামর্শ দেন। সভাপতি পৃথ্বীশ চক্রবর্তী তার ভাষণে সবাইকে শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানান এবং প্রদুষণ উপেক্ষা করেও তারা যে সভায় উপস্থিত হয়েছেন তার জন্য সকল সভ্যবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বিগত বছরে সম্মিলনীর দুজন কর্মঠ, অনন্য উৎসাহী এবং উচুঁদরের ব্যক্তিত্ব প্রয়াত ডাক্তার নবজিৎ তালুকদার এবং জয়দীপ করের অসময় পরলোক গমনকে চক্রবর্তী সম্মিলনী এবং সমাজের অপূরণীয় ক্ষতি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন। সম্মিলনীর নতুন ওয়বসাইট এবং ফেসবুকের মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের বাস্তবিক প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্পাদক কেশব মিশ্র, কোষাধ্যক্ষ তপন চক্রবর্তী নিজেদের ভাষণে সবাইকে শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা জানান এবং সম্মিলনীর স্বার্থে সবাইকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান। উপস্থিত সদস্যরাও সম্মিলনীর প্রগতির জন্য তাদের ব্যক্তিগত পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে কয়েক জন কৃতি সিলেটিদের সম্বর্ধনা জানানো হয়। তারা হলেন ডাক্তার রাম কোমল চৌধুরী, মাস্টার তৃষিত গুপ্ত, অধ্যাপিকা স্মিতা দেব, সত্যজিৎ রায় এবং সুমেধা দত্ত। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অজিতেশ দত্ত।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর মুক্ত মঞ্চে সদস্যরা স্বইচ্ছায় অংশ গ্রহণ করেন। নাচ-গানে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছোটদেরকে জন্য "বসে আঁকো" প্রতিযোগিতা এবং ছোট-বড় সবার জন্য নানান খেলা আর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। চিৎকারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌজন্যে প্রতিযোগিতায় বিজিতদের পুরস্কার বিতরণী হয়।
সদস্যদের সহযোগিতায় অভাবগ্রস্ত মানুষের জন্য শীতবস্ত্র সংগ্রহ করা হয়। উপস্থিত সভ্যদের জন্য সুস্বাদু মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল সার্বমোট ২৩৫ জন ।








কোন মন্তব্য নেই