Header Ads

বিশ্বের প্রথম রাজধানী শহর কেপ টাউন জলহীন , খরা শহর হিসাবে ঘোষণা

 অমল গুপ্ত , কলকাতা
কলকাতা।  বিশ্বে দ্রুত গতিতে দূষণ ছড়াচ্ছে ব্যাপক হারে সবুজ   উজাড়, নদনদী জলাধার সব শুকিয়ে   মরুভূমির বালিয়াড়ি তে পরিণত হচ্ছে। মাটির তলে জল স্তর বহু নিচে চলে গেছে।ভারতে চেন্নাই সহ কয়েকটি নগরে জল নেই। সংরক্ষিত বনাঞ্চল  শুকিয়ে গেছে।এই প্রথম।বিশ্বে দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী কেপটাউন  কে জল হীন খরা কবলিত নগর হিসাবে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্র সংঘ পরিবেশ নিয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়েছে।বিশ্বে প্রায় 800কোটি জনসংখ্যা পান করার উপযুক্ত জলের পরিমাণ মাত্র তিন শতাংশ।তার থেকেও কিছু কম।  800কোটি জনসংখ্যা কোটি কোটি মানুষ আর কেবল  তিন শতাংশ  জল ভাবতেও কষ্ট হয়।  তিন ভাগ সাগরের  জল লবনাক্ত  খাওয়া র উপযুক্ত নয়।  বিশুদ্ধ জলে পরিণত করার প্রযুক্তি  খুবই ব্যয় সাপেক্ষ।   বিশ্বের ছাদ দুই মেরুর  হিমবাহ বরফ  দ্রুত  গলছে। সমুদ্র তল গরম হচ্ছে।   বিশ্বে  তাপ প্রবাহ চলছে। নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই। তবে  ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করে জল অপচয় বন্ধ করে সামাজিক আন্দোলন  করে সবকে সবকে সচেতন করা যেতে পারে।  অসমের পদ্মশ্রী  যাদু  পায়েং ,হিমাচল প্রদেশের সুন্দর লাল বহু গুনা প্রমুখ  গাছ পালার প্রতি ভালবাসা কি পর্যায়ে হতে পারে দেখিয়ে ছেন। পায়েঙ অসমে  বাক্তিগত ভাবে প্রকাণ্ড এক বন সৃষ্টি করে রেকর্ড গড়েছেন।সুন্দর লাল     চিপকো আন্দোলনের জনক। যে গাছ  কাটতে আসবে তাতে বাধা দাও গাছকে বুকে চেপে ধর    শিকারি কে বাধা  দাও। আজও হিমাচল প্রদেশের মহিলাদের এক  পরম্পরা যে জন   তিথিতে গাছকে পুজো কর সোনালী  সুতা দিয়ে  গাছ কে বাঁধ    অপ দেবতার হাত থেকে রক্ষা কর গাছকে। গাছ অক্সিজেন দেয় কার্বন বার করে দেয়। ঠান্ডা বাতাস  বৃষ্টি এনে দেয়। প্রধান উৎস জল সেই জল আজ বিশ্বে  শেষের পথে। বর্তমানে দেশের বিশাল অংশে তাপ প্রবাহ চলছে। সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক,   দার্জিলিং,  শিলং তাপ প্রবাহ  আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।কলকাতা বাসী এত গরম আগে দেখেনি।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.