পাহাড় লাইনে ১৪টি স্থানে পাহাড় ধসে রেল লাইনে,বন্দর খালে 14 নম্বর সেতু ভেঙে পড়েছে , হাজার হাজার যাত্রী আটকে
অমল গুপ্ত,কলকাতা, শিলচর ,গুয়াহাটি: লামডিং শিলচর মিটার গেজ ছিল ,প্রকৃতির সঙ্গে বিরোধ ছিল না। পাহাড় প্রকৃতি নদ নদী কে ধ্বংস করে ব্রডগেজ তৈরি করে পাহাড় প্রকৃতির বিরুদ্ধে রেল লাইন করা হল।হাজার হাজার গাছ কাটা পড়লো, পাহাড়ি নদীগুলো র উৎসমুখ ধংস করা হল।নদীগুলি আপন মনে নিজের গতিতে এঁকে বেঁকে বয়ে যেত। ব্যাপক হারে পাহাড়, গাছ ধ্বংসের ফলে ভূগর্ভের মাটি বালি হালকা হয়ে গেছে। মাটি আর গাছ রক্ষা করতে পারছে না ,ভূমিকম্প প্রবন রেল লাইন কে রক্ষা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। সম্পুর্ন রাজনৈতিক স্বার্থে ভূমিকম্প প্রবণ স্পর্শ কাতর প্রকৃতির বিরুদ্ধচারণ করে একের পর এক যাত্রী বাহী ট্রেন চালু করে সর্বনাশ করা হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে আগরতলা ব্যাঙ্গালুরু র মত গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন ও আটকে পড়েছে।যদি কোনো আঘটন ঘটে রেল কর্তৃপক্ষ দায় স্বীকার করবে কি?আমরা আগে হাফলং জাতিঙ্গার মত ভূমিকম্প প্রবন এলাকা দেখে এসেছি। এই লাইন গড়তে যে হারে দুর্নীতি হয়েছে কোটি কোটি টাকা কেc বাঁকুরলেঙ্কারি হয়েছে তা রেকর্ড গড়বে।কজন রেল অফিসারের শাস্তি হয়েছে।লামডিং ডি আর এম কার্য্যালয় এর দুর্নীতির ফাইল খোলা হয়েছে কি? এই লাইন গড়তে ভু বিজ্ঞানীদের পরামর্শ গ্রহণ করা হয় নি। ব্রিটিশ আমলের রেল লাইন ৩৭টি ট্যানেল কে কমিয়ে দেওয়া হল। ভুগর্ভর মাটি বালি পরীক্ষা করা হয়েছিল কি?না হয় নি। লাইনের বহন ক্ষমতার বহু বেশি হারে ট্রেন চালানো হয় বিপ্লব দেব দের জেতানোর জন্যে, তিনি সৎ সঙ্গে বিশ্বাসী তাই দেওঘর এক্সপ্রেস শুরু করা হল এই ভূমিকম্প প্রবন লাইনে তার কি দরকার ছিল? ব্রিটিশ আমলে শিমলা পাহাড় লাইন নির্মাণ করা হয়েছিল সব দিক পরীক্ষা করে। ভোটে জেতার জন্যে তড়িঘড়ি করে নয়। আজ বরাক , ত্রিপুরা মিজোরাম সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল , লাখ লাখ মানুষের জীবন জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়ল কে দায়ী হবে।।যদি ভেবে থাকেন পাহাড় প্রকৃতি নদী কে ধ্বংস করে, হাজার হাজার গাছ কেটে তাদের চটিয়ে ,বিরক্ত করে লাইনে ট্রেন চালিয়ে রাজনীতিক মুনাফা লুটবেন তা হবে মস্ত ভুল ।পাহাড় প্রকৃতি এমন প্রতিশোধ নেবে তা ভাবতেও পারবে না কেউ। তারই ক্ষুদ্র অংশ দেখা গেল , আবার হবে, বার বার হবে।








কোন মন্তব্য নেই