গণতন্ত্র প্রিয় সুধিসমাজের প্রতি আবেদন
শিলচর:এদেশের গণতন্ত্র ও সুচেতনার গৌরবময় পরম্পরা আজ বিদ্বেষসর্বস্ব শাসকদের দ্বারা বেপরোয়াভাবে আক্রান্ত। দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের নির্দেশিকা অমান্য করে ভাষিক সংখ্যালঘুদের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। এন আর সি সংক্রান্ত বিষয়েও আধিপত্যবাদীরা প্রশাসনকে দিয়ে স্বৈরতন্ত্রী অত্যাচার কায়েম করেছে।অসহায় জনগণের উপর অভ্যন্তরীন উপনিবেশবাদের সন্ত্রাস নিরঙ্কুশ করার জন্যেই পরপর প্রদীপ দত্তরায় ও অনির্বাণ রায়চৌধুরীকে আক্রোশের শিকার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বরাক উপত্যকার নানা স্থানে এই জাতিবিদ্বেষী অত্যাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত জনমত আত্মপ্রকাশ করেছে।১৯৬১ সালের অক্টোবরে আসাম বিধানসভায় অনুমোদিত ভাষা আইন অনুযায়ী বরাক উপত্যকার সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমস্ত কাজে বাংলা ভাষার ব্যবহার বৈধতাপ্রাপ্ত। এই অধিকার আদায়ের জন্যে ১৯ মে ১১জন এবং পরবর্তীতে আরও অনেকে শহিদ হয়েছেন। অথচ ইতিহাসের সত্যকে ভূলুন্ঠিত করে আগ্রাসনবাদীরা ভাষা-গণতন্ত্রের মৌল আদর্শই ধ্বংস করতে চাইছে। অন্ধ আক্রোশের শিকার হয়েছেন প্রতিবাদী প্রদীপ দত্তরায় ও তরুণ সাংবাদিক অনির্বাণ রায়চৌধুরী।বিচারব্যবস্থাকেও আধিপত্যবাদীরা প্রভাবিত করতে মরিয়া।মানবাধিকার যখন আক্রান্ত, সর্বস্তরের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে আমাদের আবেদন, আত্মমর্যাদা রক্ষার জন্যে আগামী ১২ ডিসেম্বর ( রবিবার ) দুপুর বারোটায় শিলচরের রাজীব ভবনের কনফারেন্স হলে দলেদলে সমবেত হয়ে আমাদের যৌথ করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশ করুন।
ইতি-
অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য, অধ্যাপক নিরঞ্জন দত্ত, মৌলানা সারিমুল হক লস্কর, অধ্যাপক সৌরিন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য, এডভোকেট ইমাদ উদ্দিন বুলবুল, অধ্যাপক বীরেন্দ্র সিং, মৌলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, রাজকুমার নকুল সেনা সিংহ, অধ্যাপক পরিতোষ চন্দ্র দত্ত, শিবানী বিশ্বাস, অধ্যাপিকা মন্দিরা নন্দী, দিলীপ কুমার সিং।








কোন মন্তব্য নেই