Header Ads

অসমের বকোর মরাখালী নদীতে মৃত ডলফিন ভেসে উঠল

অমল গুপ্ত,  অসমের তিনসুকিয়া জেলার ডিব্রু   সাই খোয়া  নদীতে 12,14  টি ডলফিন আছে।  নিম্ন অসমের   নদী তে 3,4 টির বেশি নেই। তবে ব্রহ্মপুত্র নদে কয়েকটি ডল ফিন আছে। কামরূপ রুরাল জেলার বোকো র  শালমারা মরাখালি নদীতে গতকাল দুটি ডল ফিন  মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ওই অঞ্চলে ব্যাপক হারে নদী থেকে বালি তোলা হচ্ছে। বেআইনিভাবে জঙ্গলের গাছ কাটা চলছেই।  অভিযোগ উঠেছে বালি মাফিয়ারা এই ডল ফিন দুটো  মেরেছে।  পাখি মারলেও  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পুলিশ পাঠিয়ে  দোষীদের  ধরার নির্দেশ পাঠান। ডল ফিন হত্যার ঘটনায় দোষীদের  গ্রেফতার করার নির্দেশ দেবেন তো মুখ্যমন্ত্রী। ডলফিন  বিপন্ন প্রজাতির জল প্রাণী। জল কে শুদ্ধ করতে   মাছের মত ডল ফিনের জুড়ি নেই। অসমের ব্রহ্মপুত্র  বরাক সহ 45 টি নদী ইতিমধ্যে দূষিত হয়েছে। লোকসভায় কেন্দ্রীয় সরকার এই   তথ্য দিয়েছেন।   বর্তমানে দেশের অন্যতম  রাষ্ট্রিয় উদ্যান অসমের  কাজিরঙা প্লাবিত , এই উদ্যানের বিপন্ন প্রজাতি এক খড়্গ বিশিষ্ট গন্ডার সহ অন্যান্য প্রাণী 37 নম্বর জাতীয় সড়ক অতিক্রম করার সময় যানবাহনের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মারা পড়ে। 10 মাসের এক শিশু গন্ডারকে বন্যার হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিবছর শয়ে শয়ে বন্যা পশু বন্যার জলে ডুবে,গাড়ি চাপা পড়ে মারা যায়। এবার এখন পর্যন্ত  ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় নি।  রাজ্যে হাতি মানুষের সংঘাত কমেনি।নওগাঁ   কার্বিযাঙলং জেলার  সীমান্ত এলাকার হাতিদের  যাতায়াতের  করিডোর  বামুনি পাহাড়ে প্রতিদিন হাতিদের তাণ্ডব চলছে। হাতিদের করিডোর ধ্বংস করে    রিসোর্ট, সৌর শক্তি চালিত বিদ্যুত কারখানার কাজ চলছে।16 টি হাতি  একই দিনে  রহস্য জনক ভাবে মারা গেল। হাতি মানুষের সংঘাত নিয়ে লামডিং রেলওয়ে ডিভিশন এক কর্ম শালার আয়োজন করে ছিল।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.