Header Ads

নারদ কান্ডে পশ্চিমবঙ্গে দুই মন্ত্রী সহ চার গ্রেফতার পরে জামিন খারিজ,জেলে যেতে হয়

নয়া ঠাহর সংবাদদাতা, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে ১৫ দিন লকডাউন জারি করা হয়েছে। নতুন করে ২০ হাজারের বেশি   ত্রিণমূল আক্রান্ত হয়েছে। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম  দিনরাত কোভিড মোকাবিলা করছেন। তাকে মন্ত্রী সুব্রত  মুখার্জী, প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র এবং বিজেপির শোভন চট্টপাধ্যায়কে  নারদ মামলায় আজ  চার্জ সীট দেওয়া হয়েছে। এছাড়া,  পুলিশ সুপার এস এম মীর্জাকে  চার্জ সীট দেওয়া হয়েছে। তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে আগেই। সিবি আই প্রথম  চারজনকে ১৪ দিনের হেফাজতে নেবার দাবি জানিয়েছে   ব্যাংকশাল কোর্টে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে একই দোষে অভিযুক্ত ১৩ জন। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং মুকুল রায়ও টাকা নিয়েছেন তবে তাদের কেন গ্রেফতার করা হল না। তৃণমূল কংগ্রেস দলের আইনজীবী  কল্যাণ  বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন সুপ্রিমকোর্ট স্ট্রিং অপারেশনের  কোনো মামলা করা যায় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগে  তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে সিবিআই কার্যালয় নিজাম প্যালেসে  ১৫ তলায় গিয়ে অফিসারদের কাছে উত্তেজিতভাবে বলেন, তার মন্ত্রীদের গ্রেফতার করার আগে তাকে গ্রেফতার করতে হবে।  প্রায় ৬ ঘন্টা সেখানে থেকে বেরোন।  ১০৯ ধারা ও দুর্নীতির অভিযোগে ৫ জনকে  চার্জসীট দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার  পর জামিনের  জন্যে আবেদন করেছেন অভিযুক্তরা। চারবছর আগের স্টিং অপারেশন কর সাংবাদিক  ম্যাথু স্যামুয়েল আজ বলেছেন আজ খুব আনন্দের দিন  অভিযুক্তদের সাজা হল। তিনি বলেন,  শুভেন্দু অধিকারী, তার হাত থেকে টাকা নিয়ে ছিলেন তবে  কেন  তাকে গ্রেফতার করা হল না।  এবি পি কে আজ  একথা জানান  সাংবাদিক  ম্যাথু স্যামুয়েল নিজাম  প্যালেসে সামনে তৃণমূল সমর্থক কর্মীদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ আধা সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায়   সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। রাজভবনের সামনে ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তৃণমূল। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর  টুইট করে অভিযোগ করেছেন  কলকাতা পুলিশ নীরব দর্শক   সিবি আই   কার্যালয়ে ইট পাথর ছোড়া হচ্ছে। রাজ্যে এক নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্যে পুলিশ হাত গুটিয়ে আছে বলে অভিযোগ করেন।  আজকের ঘটনার প্রতিবাদে জেলায় জেলায় তৃণমূল পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।  লকডাউন চলছে কোনো  কোভিড প্রটোকল মানা হয়নি।  বিধানসভার স্পিকার বলেছেন সিবিআই গ্রেফতার করার আগে  অনুমতি নেয়নি। তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ অভিযোগ করেন  বিজেপি প্রতিহিংসার  রাজনীতি করছে। প্রশ্ন তোলেন মুকুল রায়   শুভেন্দু অধিকারীকে কেন গ্রেফতার করা হল না।   তৃনমূল  দলের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দেব বলেন   চার্জ সীট ইস্যু করার পর হেফাজতে নেবার দাবি  জানাতে পারে না সি বি আই।  সিবিআই বিশাল  বাহিনী নিয়ে  ববি হাকিম, সুব্রত মুখার্জী ,মদন মিত্র  শোভন    চট্টপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে আনে।  হাকিম অভিযোগ করেন স্পিকারের আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভকারীদের শান্ত  থাকতে অনুরোধ করে বলেন, আইনগত ভাবে  এর জবাব দেওয়া হবে। বিজেপি নেতা রাহুল সিং বলেন, সিবি আই  অভিযোগের ভিত্তিতে  এই গ্রেফতার, এর সঙ্গে বিজেপি দলের সম্পর্ক নেই।  মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আগাম নোটিশ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, করোনা উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মানুষ ত্রাহি ত্রাহি করছে। সি বি আই প্রতিহিংসার  সময় বেছে নিল এই সময়। যা মেনে নেওয়া যায় না। গ্রেফতার হওয়া চারজনকে  জামিন মঞ্জুর করেছে। সন্ধ্যে টা নাগাদ   রায় ঘোষণা করা হয়। আদালতে সিবিআই বিচারবিভাগীয়  হেফাজতে নেবার দাবি আদালতে মানেনি। বিচারপতি অনুপম   মুখোপাধ্যায়   সিবিআই  আইনজীবীদের সব যুক্তি মানেন নি। তৃণমূল দলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি যে ফিরহাদ হাকিম  সেনাপতির ভূমিকা গ্রহণ করেছেন।তাতে   সংক্রমণ বেড়ে যাবে। আর যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বয়স হয়েছে। জেলে করোনা  সংক্রমণ হতে পারে। এই সব শুনে বিচারপতি অভিযুক্তদের জামিন দেন।  তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়  আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন বিজেপির মুখ পুড়লো।হাইকোর্ট তাদের জ্যমিনে র ওপর স্থগিতাদেশ জারি করায় চারজন কে গ্রেফতার করে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় রাতেই। সিপি এমের রাজ্য  সম্পদক সূর্য্য কান্ত মিশ্র সি বি আইয়ের  তীব্র নিন্দা করে বলেছেন করোনা জটিল পরিস্থিতি তে  গ্রেফতারের ঘটনা সমর্থন করা যায় না

 


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.