Header Ads

পিঠে টুকরি বেঁধে কাঁচা চা পাতা তুললেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা


অমল  গুপ্ত ,গুয়াহাটি : পিঠে টুকরি বেঁধে    তেজপুরের সাধারু চা বাগানে চা শ্রমিক দের পাশে নিয়ে  চা পাতা  তুললেন, পরে অমৃত তাসা নামে এক চা শ্রমিকের  টিনের  ছাদ এর ছোট্ট  ঘরে বসে  ঘরের কচি শিশুকে কোলে নিয়েই  স্টিলের গ্লাসে লাল চা খেলেন।চা   মহিলা শ্রমিকদের সঙ্গে মাটিতে বসে   হিন্দিতে  টুকরো টুকরো  কথা বলে মত বিনিময় করলেন ,তাদের  দৈনন্দিন সুখ দুঃখের   ভাগিদার হওয়ার  চেষ্টা করলেন নেহরু পরিবারের কন্যা   প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা।  গতকাল লখিমপুরে চা শ্রমিক দের জনপ্রিয়  নাচ  ঝুমুর নাচে পা মেলান,আজ তেজপুরের    মহা ভৈরবী মন্দিরে  ভক্তি ভরে  প্রার্থনা করে  সবার মন জয় করলেন। প্রমান করে দিলেন  রাহুল   গান্ধীর  থেকে ও   রাজনীতিতে    ঢেউ তুলতে তার  জুড়ি মেলা    ভার। তিনি গতকাল বিশ্বনাথে রাত বাস করার পর আজ তেজপুর শহরে হাজারপার ময়দানে গলায় কা বিরোধী   গামছা  পড়ে   অসম  বাসীকে  পাঁচটি  প্রতিশ্রুতি দিলেন। রাজ্যে  কংগ্রেস জোট ক্ষমতায় এলে বছরে 5 লাখ বেকার কে  চাকরি দেবে,  চা শ্রমিকদের মজুরি  বৃদ্ধি করে 365  টাকা করা হবে। প্র তি চা পরিবারের গৃহিণী কে মাসে 2000 টাকা করে   দেওয়া হবে।  নাগরিকত্ব  আইন  বাতিল  করা হবে। বিশাল জনসভায় জয় আই অসম  স্লোগান দিয়ে  সোনিয়া তনয় ভাষণ শুরু করেন।  তিনি দুটি পাতা একটি কুঁড়ি তোলা শ্রমিকদের দুর্দ্দশার কথা  তুলে ধরে বলেন মহিলা শ্রমিকরা বলছিলেন প্রথম প্রথম  বিজেপি সরকার সব দিত,এখন  তেলের দাম বাড়লো, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম 800,900  টাকা বেড়ে  যাওয়ার  পর আর   সিলিন্ডার ভরা যাচ্ছে না। ঘরে খালি পরে আছে।   আজ কংগ্রেসের   সাধারণ সম্পাদক  অসম ছাড়েন।  তিনি গতকাল বলেছিলেন  অসম বাসী অস্তিত্বের   সংগ্রাম করছে, তাদের অস্তিত্ব আজ বিপন্ন,এই  অভিযোগ এর জবাবে অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন বদরুদ্দীন আজমল কে সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেস  অসমের না  বাংলাদেশের অস্তিত্বের কথা বলছেন তা আগে স্পষ্ট করুক। তিনি বলেন অসমে করোনা নেই,দিল্লিতে ঘুরতে পারেন না।অসমে  পর্যটক হিসাবে ঘুরতে এসেছেন।এই সময় অসমে ঘোরার উপযুক্ত সময়। বলেন চা বাগানের কুঠিরে চা বানিয়ে তিনি চা  খেলেন, এই গ্যাস সিলিন্ডার তো নরেন্দ্র মোদি দিয়েছেন। একজন চা শ্রমিক তাদের ঘরে রাজ অতিথি কে আপ্যায়ন করতে পারছে তার কৃতিত্ব তো বিজেপি সরকারের,কংগ্রেস সরকারের নয়।   কংগ্রেস নেত্রী   গান্ধী ভদ্রা  আজ  গলায় কা বিরোধী  গামছা  পড়ে ভাষণ দিলেন।এই আইন অসমের প্রায় 90 লাখ  বাঙলী হিন্দুর  রক্ষাকবচ। সেকথা একবারও ভাবলেন না।  বাংলাদেশ  তার আগে পূর্ব পাকিস্তান থেকে লাখ লাখ  বাংলা ভাষী হিন্দু   জীবন মরণ সমস্যা    মাথায় নিয়ে     ছিন্ন মূল অবস্থায় এদেশে এসেছেন। তাদের এদেশে নাগরিকত্ব প্রদানের আশ্বাস  দিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু , সেই পরিবারের কন্যা এক বার ও ইতিহাস পড়লেন না, হতভাগ্য   উদ্বাস্তু দের কথা  ভাবলেন না। যারা আজও ভূমিপুত্র হতে পারলেন না। এক বৃহৎ  বঞ্চিত জনগোষ্ঠী,যাদের ভোটে কংগ্রেস বরাবর জিতে এসেছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.