বদরুদ্দিন আজমল টাকা নিয়ে নির্বাচনে প্রাথীকে টিকিট দেন অভিযোগ বিরোধীদের
নয়া
ঠাহর প্রতিবেদন, গুয়াহাটিঃ এ আই ইউ ডি এফ রাজ্যের এমন এক দল, যেখানে নিজের প্রার্থীদের
লাখ লাখ টাকা নিয়ে সভাপতিকে খুশি করে টিকিট নিতে
হয়। সেখানে গুণাগুণের কোনো মূল্য নেই, সততার মূল্যও নেই। ধুবড়ির মহিলা বিধায়ক গুলশান আখতারের বিধানসভার ভূমিকা দেখেছিলাম। ভালোভাবে পড়াশুনা করে যাবতীয় তথ্য দাখিল করে বিধানসভাতে
বক্তব্য রাখতেন। তার তুলনায়
কোনো মহিলা বিধায়ক ছিল না। তার কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে
ছিলেন সভাপতি বদরুদ্দিন আজমল, চোখের জল ফেলে
সেকথা সাংবাদিকদের বলেছিলেন গুলশান। টাকা দিতে
না পারায় তাকে আর টিকিট দেওয়া হয় নি। এবার মামুন ইমদাদুল হক চৌধুরীকে
টিকিট দেওয়া হল না। নাওবৈশার দলীয় বিধায়ক চৌধুরীকে টিকিট দেওয়া হল না। বিধানসভার ইতিহাসে যোগ্য সৎ বিধায়ক হিসাবে, নাম থেকে যাবে মামুন ইমদাদুলের।
মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে সবাই মন দিয়ে
শুনতেন, তথ্য দিয়ে যুক্তিযুক্ত ভাষণ
দিতেন। বর্তমান বিধানসভাতে
তার মত যোগ্য নেতা ছিল না। বৃহৎ পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে
তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেল। মামুন বলেছেন, তার ১০-১২ লাখ টাকার বই আছে আর দুই শিশু
সন্তান আছে আর কিছু নেই। মামুন বেশ কয়েকটি রাজনৌতিক বিশ্লেষণ
মূলক দামি বই লিখেছেন, এআই ইউ ডি এফের
যমুনা মুখের বিধায়ককে রাজ্যের মানুষ
দেখেছে। বদরুদ্দিন সায়েবের
জ্ঞানী-গুণী মানুষ লাগে না। মুর্খ, দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন, যারা কোনো প্রশ্ন করবে
না। জনসভায় উপস্থিত থেকে বদরুদ্দিন আজমলের তথাকথিত মন্ত্রপুত বোতলের পানি খাবেন
আর তালা চিহ্নে ভোট তা দেবেন। তার বেশি উন্নয়নের প্রয়োজন নেই। তাই মামুন, গুলশানদের ছেঁটে ফেলতে বিন্দু
মাত্র হাত কাঁপে না বদরুদ্দিন সায়েবের। তার শুধু টাকা লাগে। গুণী মানুষ নয়।









কোন মন্তব্য নেই