বদরপুরের বিধায়ক জামাল উদ্দিন আহমেদ প্রয়াত
সুব্রত দাস, বদরপুর : প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও বদরপুরের বিধায়ক জামাল উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার রাত ২ টা ৩০ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। অনেক দিন ধরেই তিনি মধুমেহ,হৃদপিন্ড সমস্যা সহ নানা শারীরিক জটিলতার ভুগছিলেন। জানা গেছে,মঙ্গলবারও কালীগঞ্জে একটি সভায় যোগ দেন দিয়ে বক্তৃতা রাখেন। সেখান থেকেই বাড়ি ফিরেই তিনি অসুস্থতা বোধ করতে থাকেন।এবং রাতে তাকে করিমগঞ্জ সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শরীরের অবনতি অত্যন্ত খারাপ দেখে তাকে শিলচর মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে পরামর্শ দেয় ডাক্তার। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সে তোলার আগেই সেখানে তিনি প্রাণ হারান। মৃত্যুকালে উনার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। রেখে গিয়েছেন স্ত্রী,দুই ছেলে,তিন মেয়ে সহ,অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণমুদ্ধরা। তার মৃত্যুতে বদরপুর সহ গোটা বরাক জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিশেষ করে,করিমগঞ্জ জেলায় কংগ্রেসের তার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শূর্নতা বোধ করছেন। জেলা কংগ্রেস সভাপতি সতু রায় সহ সবাই সকালে কংগ্রেস অফিসে জড়ো হয়ে শোক ব্যক্ত করেন। ভোটের মুখে এমন একটা দুঃসংবাদ তাঁদের কেউ মেনে নিতে পারছেন না। জামাল উদ্দিন আহমেদ গত দশ বছর ধরে লাগাতার কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। এর আগে ২০০১ সালে তিনি প্রথমবার বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হন। সে বার জামালবাবু তৃণমূল টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। বিজয়ী হয়ে দেশত্যাগ করে তিনি কংগ্রেসের সহযোগী সদস্য হয়। পরবর্তী সময়ে কংগ্রেসের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। প্রয়াত বিধায়ক জামাল উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রাক্তন সাংসদ,মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী সুস্মিতা দেব ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সানোয়াল গভীর শোক ব্যক্ত করেন।









কোন মন্তব্য নেই