Header Ads

১২৫ তম নেতাজী জন্ম জয়ন্তী পরাক্রম দিবসে যৌথ ভাবে পালন করলেন নেতাজী বিদ্যাভবন ও নেতাজী ফাউন্ডেশনের

সুব্রত দাস, বদরপুর : ১২৫ তম নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোসের জন্মজয়ন্তী পরাক্রম দিবসের মাধ্যমে যৌথভাবে পালন করলেন বদরপুরের নেতাজী বিদ্যাভবন ও নেতাজী ফাউন্ডেশন। সকাল ৯ টায় বিদ্যালয় থেকে প্রভাত ফেরী,সাইকেল রেলী,নেতাজী,বিবেকানন্দ,শ্যামাপ্রসাদ বিগ্রহে মাল্যদান করেন এবং বদরপুর চৌমাথা কলোনী হয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছে। সকাল ১০ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিদ্যাভবনের অধ্যক্ষ নিধন বিকাশ লোধ। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুভদ্বীপ লোধ,স্বপা দে,মামপি লোধ,প্রগতি সেন, পরিমল কর্মকার। বিকাল ৪ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানে মূখ্য অতিথি ছিলেন বদরপুর নবীনচন্দ্র কলেজের অর্থনৈতিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অরুণ কুমার সেন,এনসি কলেজের অধ্যাপক অর্জুন চন্দ্র দেবনাথ,নেতাজী বিদ্যাভবনের অধ্যক্ষ নিধান বিকাশ লোধ,বিজেপি নেতা দীপক দেব,আইনজীবি ও বিজেপি টিকিটের প্রত্যাশী বিশ্ববরণ বড়ুয়া,বদরপুর পৌরসভা বোর্ডের প্রাক্তন পুরপতি বাবলি দাস,প্রাক্তন পৌর-কমিশনার সিতাংশু রায় ও সুনির্মল বর্দ্ধন,নেতাজী ফাউন্ডেশনের সভাপতি রূপক রক্ষিত। অতিথিদের দ্ধারা প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। তারপর বিদ্যাভবনের অধ্যক্ষ 

নিধান বিকাশ লোধ সকল অতিথিদের উত্তরীয় দিয়ে স্বাগত করেন। উদ্বোধনী বক্তা অরুণ কুমার সেন বলেন,ভারত স্বাধীন হওয়ার অসংখ্য অগণিত সংগ্রামীদের অবদান রয়েছে। তবে দীর্ঘ সংগ্রামের পর স্বাধীনতা আমরা পেলাম তার সর্বাধিক অবদান রয়েছে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোসের। তিনি বলেন,নেতাজী বলেছেন,'আমায় রক্ত দাও,আমি তোমায় স্বাধীনতা দে।' নেতাজী বিশ্বাস করতেন,কেবলমাত্র ধর্না দিয়ে,রাস্তা আন্দোলন করে,ভাষন দিয়ে স্বাধীনতা পাওয়া সম্ভব হবে না। স্বাধীনতা পেতে হলে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করতে হবে। তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে যে ভারতবাসীর 

দুর্বল নয়,স্বাধীনতা ভিক্ষা করে নয়, তারা ছিনিয়ে আনতে জানে। তিনি আরও বলেন,নেতাজী ও গান্ধীজী তাদের মধ্যে একটি আদর্শ গত পার্থক্য ছিল। গান্ধীজী মুলত অহিংসা আন্দোলনে বিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু নেতাজী বীজ পেরেছিলেন যে,অহিংসা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা পাওয়া সম্ভব হবে না। প্রয়োজন হলে আমাদেরকে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে। এই অভিযানে তিনি সৈন্য বাহিনী গড়ে তুলেন। তার নাম আজাদ হিন্দ ফৌজ। সেই সময়ে প্রায় ৬০০০০ হাজার সৈন্য ছিল। এবং তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের ও যুবাদের উদ্দেশ্যে আগ্রহ করে বলেন,আমরা শুধু নেতাজী পালন করলে চলবে না। 

নেতাজী জন্মদিন পালন করার সাথে সাথে তার পিছনে যে উদ্দেশ্যে নেতাজীর ৠণ,কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা। দ্বিতীয়ত,তিনি দেশপ্রেমী ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে গেছেন তার মতো চলার আহ্বান জানান। তারপর অনুষ্ঠানের অসমীয়া,বাংলা,মণিপুরী নৃত্য,যোগাসন,ক্যারাটে,ড্রামা,দেশাত্মবোধক গান,বক্তৃতা পরিবেশন করেন। বিদ্যাভবনের শিক্ষক পরিমল কর্মকার একটি দেশাত্মবোধক কবিতা পাঠ করেন। জানুয়ারী প্রথম সপ্তাহে থেকে শুরু হওয়া ইনটার স্কুল প্রতিযোগীতা ইনডোর ও আউটডোরের খেলার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। সর্বশেষে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপন ঘটে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.