আমিনগাঁও বিজেপি রাজনীতির কেন্দ্র বিন্দু নিয়ন্ত্রক হিমন্ত
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কয়েক দিন আগে গুয়াহাটিতে যে ভাবে অভ্যাথনা জানানো হয়েছিল, আজ বিজেপির রাষ্ট্রিয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে ও একইভাবে অসমের সংস্কৃতি কৃষ্টির নানা পসরা তুলে বিপুলভাবে সম্বোধনা জানানো হলো। এই দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে আমিনগাঁও এর পি ডব্লিউ ডি-র পরিদর্শক বাংলোত দলীয় বৈঠকের জন্যে নির্দিষ্ট করা হয়। এই সব কিছুর মূল হোতা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা,তার নির্বাচন কেন্দ্র জালুক বাড়ি এখন বিজেপি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র বিন্দুতেপরিণত হয়েছে। পুরোপুরিভাবে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নিয়ন্ত্রণাধীন বলা যেতে পারে। নির্বাচনের ঢাক বেজে গেছে, কেন্দ্র থেকে যে নেতাই আসুন না কেন তাকে আমিনগাঁওয়ের অভ্যর্থনার জোয়ারে ভাসতে হবে, বিজেপি নেতৃত্বের কাছে হেমন্তের গ্রহণযোগ্য তা বৃদ্ধি পাবে। গুয়াহাটি আসার আগে জে পি নাড্ডা, মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, রাজ্যের সেকেন্ড কমান্ড ইন চিফ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, সভাপতি রঞ্জিত দাস প্রমুখ বিশাল জনসভায় বরাকের ১৫ টি আসনে বিজেপি-কে জেতানোর জন্যে আহবান জানান। নাড্ডা তো জানিয়ে দিলেন ৬ উপজাতি গোষ্ঠীকে তপশীল ভুক্ত করার সব প্রয়াস সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। যে কারণেই হোক বরাকের মাটিতে হিমন্ত বেশি গুরুত্ত পেয়ে থাকেন, এবারও পেলেন। তার উদাত্ত ভাষণ বরাকের যুব প্রজন্মের মন ছুঁয়ে গেল। রাজ্যে নিবার্চন কমিশনের এক প্রতিনিধি দল আসছেন। কংগ্রেসের সঙ্গে এ আই ইউ ডি এফের সমঝোতা অনুষ্ঠিকভাবে না হলেও দুটি দল নির্বাচনি সভা শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি সরকারের শরিক দল অগপ ও জোর সভা সমিতি শুরু করেছে।ৰাইজৰ দলের সভাপতি জেল বন্দি অখিল গগৈ, তার মুক্তির ব্যবস্থা করে নির্বাচনে প্রাথী করার চেষ্টা করছে দলটি, প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হবে। অগপ দুটি ভাগে বিভক্ত, 'কা'-কে কেন্দ্র করে বিভাজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল কুমার মহন্ত আজ প্রায় একা তিনি কা বিরোধীদের এক জোট করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।অগপ-র সভাপতি অতুল বরা অভিযোগ করেছেন ছোট ছোটো আঞ্চলিক দলের জন্ম হয়েছে। সবার গায়ে বদরুদ্দীন আজমলের আতরের গন্ধ, সবার সঙ্গে গোপন আঁতাত, কংগ্রেস দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্র সিংহ আজ নিম্ন অসমে অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে পুরো ব্যার্থ, মূল্য বৃদ্ধি আকাশ ছুঁইয়েছে। অসম জাতীয় পরিষদ, অখিল গগৈ এত ৰাইজৰ দল, ইউ ডি এফ, কংগ্রেস দলের কম বেশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা গেলেও, শাসক দল বিজেপি এগিয়ে, ১০০ প্লাস আসনের দাবিদার হলেও চূড়ান্তভাবে কিছু বলার সময় আসেনি।









কোন মন্তব্য নেই