Header Ads

বিটিসিতে আস্থা ভোট, প্রমোদ বড়োর ভাগ্য ঝুলে গেল



অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : বিটিসির সি ই এম প্রমোদ বড়োর ভাগ্য  অনিশ্চিত হয়ে পড়লো আদালতের এক  রায়ের ফলে। গুয়াহাটি হাইকোর্ট আজ এক গুরুত্ব  পূর্ন রায় দিয়ে বলেছেন,বিটিসি র প্রধান সি ই এম পদে  মনোনীত পদ  নয়  নির্বাচন দরকার ছিল। তাই আগামী  ২৬  ডিসেম্বর এর আগে প্রমোদ বড়োকে আস্থা ভোটের সম্মুখীন হতে হবে। সেই পদে অন্যরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। যে জয়ী হবে তিনিই হবেন চীফ এক্সি কিউটিভ মেম্বার। প্রমোদ বড়ো বাদও পড়তে পারেন। বি পি এফের পক্ষ থেকে রিট আবেদনের  পর হাই কোর্ট  এই রায় দেন। বিটিসির মনোনীত মেম্বারদের ক্ষেত্রে কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে,  বি পি এফ  প্রধান হগ্রামা মহিলারি  সরকারকে চিঠি দিয়ে  তার নিরাপত্তা   রক্ষা করা  জওয়ানদের প্রত্যাহার করে নেবার  আর্জি জানিয়ে ছিলেন। তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর আজ মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালের পুরহিত্যে অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট  কমিটির বৈঠকে মহিলারিকে ক্যাবিনেট  পর্যায়ের নিরাপত্তা বাহিনী  অনুমোদন করা হয়। এছাড়া, বড়ো  ভাষাকে সহযোগী সরকারি  ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়। কোকরাঝাড়ে  দুটি  কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব আজ গ্রহণ করা হয়েছে। বিটিসি নির্বাচনের বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। আজও ২৩/২৪ জন মেম্বার  কোকড়াঝাড়ে ফিরে যায়নি।  গা ঢাকা দিয়ে বাইরে ঘুরে  বেড়াচ্ছেন। মন্ত্রী প্রমীলা রানী  ব্রহ্ম বলেছেন বিটিসিতে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। বি পি এফের তিন মন্ত্রী  চন্দন ব্রহ্ম, রিহন দৈমারী  শেষ পর্যন্ত সরকারের শরিক হয়ে থাকবে কিনা   তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।   বিটিসি এলাকায় ১২ টি বিধানসভার আসন আছে, সব কয়েকটি বিপি এফের  দখলে আছে।  সেই আসনে  জয়লাভ করতে বিজেপিকে  কোনো ভাবেই জমি ছেড়ে দেবে না।  রাজনৈতিক মহলের খবর  বদরুদ্দীন আজমল এর সঙ্গে বিপি এফের এক সমঝোতা হয়েছে।   বিটিসি র চার জেলার প্রায় ৩৫ লক্ষ মানুষ আজও অনিশ্চিত  রাজনৈতিক বাতা বরণ এর মাঝে আবদ্ধ, আজও হিংসা কমে নি।  প্রমোদ  বড়োর  ভাগ্যের রাশ আজও শক্ত হলো না।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.