সর্বশেষ ট্রেণ্ড সেই ৫ রাজ্যের ভোটের যা ঠিক করে দেবে কে প্রেসিডেন্ট হবেন !!
বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫ টি বাদে অন্য সব অঙ্গরাজ্যের ফলাফল এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন এগিয়ে থাকলেও বাকি পাঁচ অঙ্গরাজ্যের চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা ও ফক্স নিউজ জানাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত ৪৫টি অঙ্গরাজ্য থেকে পাওয়া ৪৭৮টি ইলেক্টোরাল কলেজের মধ্যে ২৬৪টি গেছে বাইডেনের পক্ষে। প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪ টি ইলেক্টোরাল।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজের মধ্যে লড়াই চলছে দুই প্রার্থীর। ছ-টি ইলেক্টোরাল কলেজ পেলেই জয়ের ‘ম্যাজিক ফিগার’ ২৭০টি ইলেক্টোরাল পেয়ে যাবেন বাইডেন। তার জন্যে বাকি পাঁচ অঙ্গরাজ্যের ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। এর মধ্যে যে কোনো একটিতে জয় পেলেই চলবে তাঁর।
এখন পর্যন্ত ভোটের ফলাফল ঘোষণা করতে না পারা ৫ অঙ্গরাজ্য হলো--জর্জিয়া, নেভাদা, নর্থ ক্যারোলিনা, পেনসিলভানিয়া ও আলাস্কা। রাজ্যগুলোতে মোট ইলেক্টোরাল কলেজ রয়েছে ৬০টি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভোট নিয়ে বার্তা সংস্থা এপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরে আল-জাজিরার হিসেবে বলা হয়েছে, অঙ্গরাজ্য পাঁচটির চারটিতেই এগিয়ে ট্রাম্প। একটিতে এগিয়ে বাইডেন।
জর্জিয়া : এই অঙ্গরাজ্যটিতে রয়েছে ১৬টি ইলেক্টোরাল। সেখানে শতভাগ ভোট গণনা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ৪৯.৬২ শতাংশ ভোট নিয়ে এগিয়ে ট্রাম্প, আর বাইডেন পেয়েছেন ৪৯.১৫ শতাংশ। এখন চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পালা। চূড়ান্ত ফলাফল এদিক ওদিক হতেই পারে।
নেভাদা : এই অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল ৬টি। ৭৪.৭৬ শতাংশ ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে ৪৯.৩৩ শতাংশ নিয়ে এগিয়ে বাইডেন। ৪৮.৬৯ শতাংশ নিয়ে পিছিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প।
নর্থ ক্যারোলিনা : ১৫ ইলেক্টোরালের এই অঙ্গরাজ্যেও ভোট গণনা শতভাগ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০.০৯ শতাংশ নিয়ে এগিয়ে ট্রাম্প; বাইডেন পেয়েছেন ৪৮.৬৯ শতাংশ ভোট।
পেনসিলভানিয়া : গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল ২০টি। এখানে ৮৬.৭২ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যাচ্ছে, ৫০.৭২ শতাংশ ভোট নিয়ে এগিয়ে ট্রাম্প, বাইডেন পেয়েছেন ৪৮.১৩ শতাংশ ভোট। চূড়ান্ত ফলাফলে বাইডেন এগিয়ে যেতে পারেন।
আলাস্কা : মাত্র তিনটি ইলেক্টোরাল। অর্ধেকের কিছু বেশি ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে, ৬৫.১১ শতাংশ নিয়ে অনেক এগিয়ে ট্রাম্প। বাইডেন পেয়েছেন মাত্র ৩৩.৫১ শতাংশ ভোট।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো আসেনি। কার্যত ২১৪ ইলেক্টোরাল ভোট নিয়ে জয়ের আশায় ঝুলছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার আগে অতি উত্তেজনায় তিনি নিজের জয় ঘোষণা করে দেন। এমন কী হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে প্রথা ভেঙে করেন বিয়ার পার্টিও। কিন্তু সময় যত পার হয়ে যাচ্ছে, ট্রাম্পের চওড়া হাসি মিইয়ে যাচ্ছে। ক্ষুব্ধ হয়ে তাই এবার নিজের দলের সিনেটরদের ওপরেই চড়াও হতে শুরু করেছেন তিনি।
বিতর্ক জন্ম দেওয়ার মতো কিছু টুইট, সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুমকি--দিয়ে যে চড়া সুর তুলেছিলেন ট্রাম্প, তাও থেমে যেতে শুরু করেছে। ‘নিজেদের’ রাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে ভোটের ব্যবধান কমতে শুরু করলে সিনেটরদের ফোন করতে শুরু করেন ট্রাম্প। তাদের ওপর বিরক্তি ও সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, ভোট গণনার দিন রিপাবলিকান গভর্নরদের ফোন করে ক্ষোভ ঝেড়েছেন ট্রাম্প। তাদের ওপর বিরক্তি ও সন্দেহ প্রকাশ করছেন তিনি। এমনকি আগে থেকে ঠিক করে রাখা আইনি কৌশলের ওপরও তিনি আস্থা হারাচ্ছেন। অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডসি, জর্জিয়ার ব্রায়ান কেম্প, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেসান্টিসকে ফোন করে রাগ ঝেড়েছেন।
এদিকে অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে বাইডেনকে জয়ী ঘোষণা করে দেওয়ার পরপরই দেশের গণমাধ্যম ফক্স নিউজের উপর খেপে যান ট্রাম্প। অ্যারিজোনায় ভোট গণনা চলাকালে তিনি সেটি থামানোর জন্য মামলা করার নির্দেশ দেন। রিপাবলিকানরা গতকাল বুধবার সারাদিন আইনি কৌশলে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। এ কারণে আরও রেগেছেন ট্রাম্প। সহযোগীদের ফোন করে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।
পরাজয় বরণ করতে হবে কিনা--এই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ট্রাম্প শিবিরে। সুইং স্টেট উইসকনসিনের ভোট পুনরায় গণনার আবেদন করার কথা জানিয়েছে তারা। মিশিগানেও ভোট পুনরায় গণনা করার আবেদন করা হবে বলে বলে জানায় ট্রাম্পের সহযোগীরা। কিন্তু মিশিগানের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা জোসলিন বেনসন ট্রাম্পের এ কাজকে ছেলেমানুষি বলে মন্তব্য করেছেন।
পেনসিলভানিয়া ও জর্জিয়াতে ভোট গণনা বন্ধের দাবিতে মামলা করেছে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী প্রচারণা শিবির। অবশ্য এটা আগে থেকেই ধারণা করা যাচ্ছিল, কারণ, ট্রাম্প শুরু থেকেই মামলা করার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
গতকাল সারাদিন ট্রাম্প যে টুইট করেন, তার মধ্যে ছ-টিতে সতর্কতামূলক লেবেল জুড়ে দিয়েছিল টুইটার কর্তৃপক্ষ !
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজের মধ্যে লড়াই চলছে দুই প্রার্থীর। ছ-টি ইলেক্টোরাল কলেজ পেলেই জয়ের ‘ম্যাজিক ফিগার’ ২৭০টি ইলেক্টোরাল পেয়ে যাবেন বাইডেন। তার জন্যে বাকি পাঁচ অঙ্গরাজ্যের ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। এর মধ্যে যে কোনো একটিতে জয় পেলেই চলবে তাঁর।
এখন পর্যন্ত ভোটের ফলাফল ঘোষণা করতে না পারা ৫ অঙ্গরাজ্য হলো--জর্জিয়া, নেভাদা, নর্থ ক্যারোলিনা, পেনসিলভানিয়া ও আলাস্কা। রাজ্যগুলোতে মোট ইলেক্টোরাল কলেজ রয়েছে ৬০টি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভোট নিয়ে বার্তা সংস্থা এপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরে আল-জাজিরার হিসেবে বলা হয়েছে, অঙ্গরাজ্য পাঁচটির চারটিতেই এগিয়ে ট্রাম্প। একটিতে এগিয়ে বাইডেন।
জর্জিয়া : এই অঙ্গরাজ্যটিতে রয়েছে ১৬টি ইলেক্টোরাল। সেখানে শতভাগ ভোট গণনা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ৪৯.৬২ শতাংশ ভোট নিয়ে এগিয়ে ট্রাম্প, আর বাইডেন পেয়েছেন ৪৯.১৫ শতাংশ। এখন চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পালা। চূড়ান্ত ফলাফল এদিক ওদিক হতেই পারে।
নেভাদা : এই অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল ৬টি। ৭৪.৭৬ শতাংশ ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে ৪৯.৩৩ শতাংশ নিয়ে এগিয়ে বাইডেন। ৪৮.৬৯ শতাংশ নিয়ে পিছিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প।
নর্থ ক্যারোলিনা : ১৫ ইলেক্টোরালের এই অঙ্গরাজ্যেও ভোট গণনা শতভাগ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০.০৯ শতাংশ নিয়ে এগিয়ে ট্রাম্প; বাইডেন পেয়েছেন ৪৮.৬৯ শতাংশ ভোট।
পেনসিলভানিয়া : গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল ২০টি। এখানে ৮৬.৭২ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যাচ্ছে, ৫০.৭২ শতাংশ ভোট নিয়ে এগিয়ে ট্রাম্প, বাইডেন পেয়েছেন ৪৮.১৩ শতাংশ ভোট। চূড়ান্ত ফলাফলে বাইডেন এগিয়ে যেতে পারেন।
আলাস্কা : মাত্র তিনটি ইলেক্টোরাল। অর্ধেকের কিছু বেশি ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে, ৬৫.১১ শতাংশ নিয়ে অনেক এগিয়ে ট্রাম্প। বাইডেন পেয়েছেন মাত্র ৩৩.৫১ শতাংশ ভোট।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো আসেনি। কার্যত ২১৪ ইলেক্টোরাল ভোট নিয়ে জয়ের আশায় ঝুলছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার আগে অতি উত্তেজনায় তিনি নিজের জয় ঘোষণা করে দেন। এমন কী হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে প্রথা ভেঙে করেন বিয়ার পার্টিও। কিন্তু সময় যত পার হয়ে যাচ্ছে, ট্রাম্পের চওড়া হাসি মিইয়ে যাচ্ছে। ক্ষুব্ধ হয়ে তাই এবার নিজের দলের সিনেটরদের ওপরেই চড়াও হতে শুরু করেছেন তিনি।
বিতর্ক জন্ম দেওয়ার মতো কিছু টুইট, সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুমকি--দিয়ে যে চড়া সুর তুলেছিলেন ট্রাম্প, তাও থেমে যেতে শুরু করেছে। ‘নিজেদের’ রাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাটের সঙ্গে ভোটের ব্যবধান কমতে শুরু করলে সিনেটরদের ফোন করতে শুরু করেন ট্রাম্প। তাদের ওপর বিরক্তি ও সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, ভোট গণনার দিন রিপাবলিকান গভর্নরদের ফোন করে ক্ষোভ ঝেড়েছেন ট্রাম্প। তাদের ওপর বিরক্তি ও সন্দেহ প্রকাশ করছেন তিনি। এমনকি আগে থেকে ঠিক করে রাখা আইনি কৌশলের ওপরও তিনি আস্থা হারাচ্ছেন। অ্যারিজোনার গভর্নর ডগ ডসি, জর্জিয়ার ব্রায়ান কেম্প, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেসান্টিসকে ফোন করে রাগ ঝেড়েছেন।
এদিকে অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে বাইডেনকে জয়ী ঘোষণা করে দেওয়ার পরপরই দেশের গণমাধ্যম ফক্স নিউজের উপর খেপে যান ট্রাম্প। অ্যারিজোনায় ভোট গণনা চলাকালে তিনি সেটি থামানোর জন্য মামলা করার নির্দেশ দেন। রিপাবলিকানরা গতকাল বুধবার সারাদিন আইনি কৌশলে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। এ কারণে আরও রেগেছেন ট্রাম্প। সহযোগীদের ফোন করে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।
পরাজয় বরণ করতে হবে কিনা--এই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ট্রাম্প শিবিরে। সুইং স্টেট উইসকনসিনের ভোট পুনরায় গণনার আবেদন করার কথা জানিয়েছে তারা। মিশিগানেও ভোট পুনরায় গণনা করার আবেদন করা হবে বলে বলে জানায় ট্রাম্পের সহযোগীরা। কিন্তু মিশিগানের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা জোসলিন বেনসন ট্রাম্পের এ কাজকে ছেলেমানুষি বলে মন্তব্য করেছেন।
পেনসিলভানিয়া ও জর্জিয়াতে ভোট গণনা বন্ধের দাবিতে মামলা করেছে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী প্রচারণা শিবির। অবশ্য এটা আগে থেকেই ধারণা করা যাচ্ছিল, কারণ, ট্রাম্প শুরু থেকেই মামলা করার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
গতকাল সারাদিন ট্রাম্প যে টুইট করেন, তার মধ্যে ছ-টিতে সতর্কতামূলক লেবেল জুড়ে দিয়েছিল টুইটার কর্তৃপক্ষ !









কোন মন্তব্য নেই