Header Ads

বদরপুরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নীরব প্রশাসন

অনিন্দ্য ভট্টাচার্য,বদরপুর : পূজা যত এগিয়ে আসছে রেল শহর বদরপুরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তত অবনতি হচ্ছে। চুরি - ছিনতাই এখন রেল শহরের নিত্যদিনের ঘটনা। এই অসামাজিক কাজ করতে  রীতিমতো গ্যাং নেমে পড়েছে। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা সম্পূর্ণ নৈরাশ্যজনক। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে স্টেশন রোডের পরপর তিনটি দোকানের চুরিতে জড়িত একজনও এখনও ধরা পড়েনি। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে চুরি হয় স্টেশন রোডে তাপস দে ও জিতু কমলিয়ার মুদি দোকানে। গভীর রাতে দোকানের টিনের চাল খুলে উপর থেকে ভিতরে ঢুকে চোরের দল নগদ টাকা সহ প্রায় চৌদ্দ - পনেরো লক্ষ টাকার জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয়। যাওয়ার আগে সিসি ক্যামেরার রেকর্ডারটিও নিয়ে যায়। পাশের  জীবন নাগের ফার্নিচারের দোকানেও একই প্রক্রিয়ায় চাল কেটে উপর থেকে  হানা দেয়। তবে এখানে তেমন সুবিধা করতে পারেনি। এর পাশের ওষুধের দোকানের দরজার তালা ভাঙলেও কোন অজ্ঞাত কারনে ভিতরে ঢোকেনি। এর কিছুদিন আগে প্রাক্তন পুর উপসভাপতি সুবিমল বর্ধনের টাকা ভর্তি ব্যাগ প্রকাশ্য দিনের বেলা বারোটা নাগাদ এসটি রোড থেকে দুই বাইক আরোহী তার হাত থেকে ছিনিয়ে চম্পট দেয়। দুদিন আগে বদরপুরঘাট এটিএম-এ স্থানীয় এক সিনিয়র সিটিজেন টাকা তুলতে এলে দুই বাইক আরোহী যুবক উপযাজক হয়ে তাকে সাহায্য করতে চাইলে সেই ব্যক্তি বিপদের আভাস পেয়ে চেঁচামেচি শুরু করে দিলে  তাঁরা পালাতে বাধ্য হয়। এভাবে একের পর এক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। বদরপুর থানার ওসির বক্তব্য - থানায় পুলিশের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এত কম পুলিশ কর্মী নিয়ে এত বড় এলাকার আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন যাই বলুক পূজার মরশুমে এমনিতেই সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম কিছুটা হলেও বাড়ে। এবারতো মাত্রা ছাড়া হারে বেড়েছে। প্রয়োজনে  জেলার অন্য এলাকা থেকে পর্যাপ্ত পুলিশ এনে এখানকার পরিস্থিতি সামাল দিক প্রশাসন দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.