৮৯ দিন ধরে বেতনে পাননি করোনা চিকিৎসারা, একাংশ চিকিৎসক নিজের প্রাপ্য বেতন থেকে বঞ্চিত
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, গুয়াহাটিঃ
রাজ্যে কোভিড-১৯-এর ঘটনা সামনে আসার পরই দিনরাত একাকার করে দায়িত্বসহকারে নিজের
কর্তব্য পালন করে আসছেন চিকিৎসকরা।
করোনা প্রতিরোধের জন্যে কিছু সংখ্যক চিকিৎসক সর্বোচ্চ উজাড় করে
দিচ্ছেন যেমন অন্যদিকে একাংশ নিয়তির কাছেও হার মেনে নিয়েছেন।
এত চেষ্টা, অক্লান্ত
পরিশ্রমের মধ্যেও কিন্তু এই মহাসংক্রমণকারী ভাইরাসের বিরুদ্ধে সামনে সারিতে
দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করে যাওয়া একাংশ চিকিৎসক নিজের প্রাপ্য বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এমন
ঘটনাও প্রকাশ্যে আসছে।
ডিব্রুগড়স্থিত অসম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে কর্মরত প্রত্যুষ
মহন্ত নামে একজন চিকিৎসক গত ৮৯ দিনের বেতন পাননি। টুইটারের মাধ্যমে এই অভিযোগ তিনি
উত্থাপন করেছেন।
উক্ত চিকিৎসক টুইটারে ছবি শেয়ার করে লিখেছেন,
“বিনা বেতনে কাজ করা দিন=৮৯। এখন হোস্টেল খালি করার নির্দেশ’।
সেই টুইটটি অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড০ হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে ট্যাগ
করা হয়েছে। যদিও এ সন্দর্ভে এখনো স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোন মন্তব্য প্রকাশ করেননি।
উল্লেখ্য যে, নভেম্বর
থেকে পাঠদান প্রক্রিয়া ফের শুরু হবে সেজন্যে রাজ্য সরকার কোভিড-১৯-এ নিয়োজিত করা
স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ চিকিৎসকদের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ
দিয়েছে।
এই নির্দেশের পরই একাংশ চিকিৎসক ক্ষুব্ধ হওয়ার পাশাপাশি গভীর
চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন।
“আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি এবং আমাদের কিছু
সংখ্যক চিকিৎসক বিনা বেতনে কাজ করছেন। এদিকে, এখন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হোস্টেল
ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এই নির্দেশের পর আমরা হতাশ হয়ে পড়েছি”।
চিকিৎসকরা তাঁদের দায়িত্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করছেন অথচ তাঁদের
বেতন দেয়া হচ্ছে না, হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে ক্ষেপে উঠেছেন চিকিৎসকরা।
এই ঘটনা চিকিৎসকদের অবমাননা এবং পাত্তা না দেয়া ছাড়া আর কিছু নয়।
এদিকে, একাংশ টুইটার ব্যবহারকারী অসম সরকারকে চিকিৎসকের এই সমস্যার বিষয়টি
গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করার জন্যে আহ্বান জানিয়েছেন।









কোন মন্তব্য নেই