বানভাসি কাজিরঙ্গার হরিণ হত্যা করে পিকনিক শুরু হয়ে গেছে
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : যা ভাবা গিয়েছিল তাই শুরু হল। কাজিরঙা রাষ্ট্রীয় উদ্যানে প্রায় ৯০ শতাংশ বন্যায় ডুবে গেছে। বন্য জন্তুরা প্রাণ বাঁচাতে ৩৭ জাতীয় সড়ক অতিক্রম করার সময় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে নতুবা আশপাশে ওত পেতে বসে থাকা চোরা শিকারিদের টেবিলের মেনু হয় নিরীহ হরিণ, বুনো শুকুর প্রভৃতি বন্য প্রাণীরা। গুয়াহাটি উত্তরপারে আমিনগাঁও পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদে ভেসে আসা হরিণদের হত্যা করার খবর আছে এবার শুরু হয়নি, আজ বিহালি থেকে দুজন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাজিরঙ্গার হরিণ হত্যা করে মাংস রান্না করছিল, পুলিশ হাতে নাতে ধরে। বন্যার সময় ট্রাক চালকরা ইচ্ছাকৃতভাবে বন্য জন্তুদের চাপা দেয়, গাড়িতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর মহাভোজ। পুলিশের টাইমকার্ড মানেনা। নিদিষ্ট গতি ৪০ কিলোমিটার মানেনা, বোকাখাত অঞ্চলে ১৪৪ জারি করা হয়েছে। উদ্যান কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন পর্যন্ত ১ টি গন্ডার, ১৪ টি হরিণ মারা গেছে। একশৃঙ্গ বিশিষ্ট বিরল প্রজাতির গন্ডার সংরক্ষণ নিয়ে,গন্ডারের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিজেপি কংগ্রেস দলের বাকবিতণ্ডা অব্যাহত আছে। কংগ্রেসের দাবি গন্ডারের প্রকৃত সংখ্যা লুকিয়ে রাখা হচ্ছে, স্বীকার করতেই হবে বর্তমান সরকারের আমলে গন্ডার হত্যার সংখ্যা কম। কিন্তু আর টি আই নোটিশের জবাবে বন বিভাগ কেন জানালো ২০১৬ সালের পর আজ পর্যন্ত ৫৬৪টি গন্ডার মরেছে। এই হিসাব কি ভুল? তার জবাব পাওয়া যায় নি ।









কোন মন্তব্য নেই