মোট ৭টি জায়গায় ১৪ দিনের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন, ওয়ার্ডের সংক্রমণের হার দেখে ফের লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া গত্যন্তর নেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : গুয়াহাটি মহানগর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে
গেছে। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা আজ জনতা
ভবনে এক জরুরি বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা
থেকে গুয়াহাটির কিছু কিছু জায়গায় ১৪ দিনের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন থাকবে। মহানগরের ফ্যান্সিবাজার সহ জালুকবাড়ি, পাণ্ডু-মালিগাঁও, মাছখোয়া,
বিষ্ণুপুর, ফাটাশীল আমবাড়ির কিছু অঞ্চল, ধীরেনপাড়া সহ মোট ৭টি জায়গা সম্পূর্ণ
লকডাউন থাকবে। লকডাউন উলঙ্ঘন করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। তবে জরুরিকালীন অবস্থায়
প্রশাসনের তরফ থেকে ঘরে পৌঁছে দেবে জরুরি সামগ্রী।
এদিকে, পুলিশের মধ্যে ব্যাপকভাবে কোভিড ছড়িয়েছে। ১৫০টির বেশি কন্টেনমেন্ট জোন। গত ২৪ ঘন্টায় গুয়াহাটিতে তিন শতাধিক আক্রান্ত হয়েছে। মহানগরে ৫০ হাজার টেস্ট করার কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত ১১১ জন পজিটিভ ধরা পড়েছে। ফেন্সিবাজারের লিঙ্কে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা জানান। তিনি বলেন, পরিস্থিতি গণসংক্রমণের দিকে এগোচ্ছে। মহানগরের ওয়ার্ড অনুযায়ী লকডাউন করা হতে পারে। তবে জেলার ডেপুটি কমিশনার সিদ্ধান্ত নেবেন। আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ৫৫৮৬ জন আক্রান্ত হয়েছে, ১০ জন মারা গেছে। তবে সুস্থতার হার ৬৩.৩ শতাংশ। মৃত্যুর হার ০.৩ শতাংশ যা অনেক কম। বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে ২ লক্ষ ৪৩ হাজার, ৪১৪ জন এসেছে। ১৭৩টি ট্রেনে এসেছে ১ লক্ষ ৯ হাজারের মত। রাস্তায় যানবাহন বা পায়ে হেঁটে এসেছে ৭৩ হাজার, ৭১১টি বিমানে এসেছে ৬০ হাজার যাত্রী। ২৩ জুনের পর আর শ্রমিক স্পেশাল আসবে না। মন্ত্রী জানান, ১৪৪ জনের কোনো ট্রাভেল হিস্ট্রি নেই অথচ তাদের পজিটিভ ধরা পড়েছে। তাই ভয় হয়েছে গণসংক্রমণের। তিনি মহানগরবাসীকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পড়ার কাতর আহবান জানিয়ে বলেন, এছাড়া মানুষকে রক্ষা করা যাবে না।









কোন মন্তব্য নেই