ব্রহ্মপুত্র নদের ১৬০০ কিলোমিটার নিয়ন্ত্রণ করছে চীন
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : আজ বিধানসভায় বিজেপির
অশোক সিংহল এবং এআইইউডিএফের আমিনুল ইসলাম ‘অসমিয়া প্রতিদিন সংবাদপত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে অভিযোগ করেন চিনের ষড়যন্ত্রের
পরে ব্রহ্মপুত্র নদে অস্বাভাবিকভাবে ঘোলা জল আসছে। অভিযোগ করেন, চীন প্রায় ৪০টি বাঁধ নির্মাণ করে
ব্রহ্মপুত্রের জলকে আটকে দিয়েছে। জল সম্পদ বিভাগকে এই ব্যাপারে উপযুক্ত পদক্ষেপ
গ্রহণের দাবি জানান। এই প্রশ্নের জবাবে জলসম্পদ মন্ত্রী কেশব মহন্ত জানান, প্রায় ৯০০ কিলোমিটার ব্রহ্মপুত্র অসমের মধ্য
দিয়ে প্রবাহিত এবং ১৬০০ কিলোমিটার চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। এই ১৬০০ কিলোমিটারের
উপরে ভারতের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। চীনে ব্রহ্মপুত্রের নাম সাংপো। অরুণাচল প্রদেশে
ব্রহ্মপুত্রের নাম সিয়াং। সেইনদের স্থলে গিয়ে দেখা গেছে, জল ঘোলা হলেও কোনো বিষাক্ত পদার্থ নেই। মাছ
মারা যাওয়ার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভারত সরকার চীনের সঙ্গে আলোচনার পর চীন
সরকার ব্রহ্মপুত্র সম্পর্কে তথ্য দেওয়া শুরু করেছে। আজ বিধানসভায় রমেন্দ্র
নারায়ণ কলিতা এক প্রশ্নের জবাবে শিল্প মন্ত্রী চন্দ্র মোহন পাটোয়ারি জানান, অসম আন্দোলনে শহিদদের নির্যাতিত পরিবারের
সদস্যদের সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। কলিতা দাবি করেন, ৮৫৫ জন শহিদদের নির্যাতিত পরিবারদের চাকরি
দেয়নি সরকার এখনও। তবে শহিদদের পাঁচ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে সরকার।
সরকারের ২১টি বিভাগে চাকরির জন্য ৩১০ জন আবেদন করেছে। তারা এখনও চাকরি পায়নি।
বরাকের কংগ্রেস বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ দাবি জানান, বরাকে বাংলা ভাষা শহিদদের আজও কেন ক্ষতিপূরণ
দেওয়া হল না?









কোন মন্তব্য নেই