দিল্লীতে হিন্দু-মুসলিম মারা যায়নি, মারা গেছে ৫২ জন ভারতীয় !
বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়
লোকসভায় বিরোধীদের কড়া জবাব শাহ’র
দিল্লীর হিংসা নিয়ে সংসদে বিরোধীদের হাঙ্গামার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় বুধবার সরকারের পক্ষে কথা বলেন। অমিত শাহ দাঙ্গার পরিসংখ্যান দিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেন। কংগ্রেসকে তিনি ১৯৮৪’র দাঙ্গা স্মরণ করিয়ে ওয়াইসিকে ধর্মের চশমা দিয়ে হিংসাকে না দেখার পরামর্শ দেন।
হোলির মধ্যে ধার্মিক ভাবনায় যাতে আঘাত না লাগে, সেই জন্য তিনি হোলির পর সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথা বলেছেন বলে জানান অমিত শাহ।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত ৭০০’র বেশি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ২৬৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তদন্তের জন্য দুটি এসআইটি টিমও গঠন করা হয়েছে।
২০ লক্ষ মানুষের বাস পুর্বোত্তর দিল্লীতে হওয়া হিংসাকে ছড়াতে দেওয়া হয়নি। আর এর জন্য দিল্লী পুলিশের প্রশংসা করা উচিৎ। আমি সবসময় দিল্লী পুলিশের সাথে ছিলাম।
আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে আগরায় ডিনার পার্টিতেও যাই নি আমি।
হিন্দু অথবা মুসলিম না, দিল্লী হিংসায় ৫২ জন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। ৫২৬ ভারতীয় এই হিংসায় আহত হয়েছেন। ৩০০ এর বেশি ভারতীয়ের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্দির আর মসজিদ দুটোতেই আগুন লাগানো হয়েছে। আমি দুইপক্ষের জন্যই দুঃখ ব্যাক্ত করছি।
প্রায় ৬০ টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ২২ ফেব্রুয়ারি খোলা হয়েছিল আর ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই অ্যাকাউন্ট গুলো বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশের ৪০ টি টিম দোষীদের ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও দাঙ্গায় ব্যবহৃত প্রায় ৫০ টি হাতিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।
উত্তর প্রদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকা গুলোতে প্রায় ৩০০ জন দিল্লীতে ঢুকে দাঙ্গা করতে এসেছিল। এটা স্পষ্ট যে ষড়যন্ত্র করেই হিংসা করা হয়েছে।
চেহারা দিয়ে চিহ্নিত করা বিশেষ সফটওয়ার এর মাধ্যমে ১১০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০০’র বেশি মানুষ উত্তর প্রদেশ থেকে এসেছিল। এটা সফটওয়ার, এটা ধর্ম আর পোশাক দেখে মানুষ চেনে না।
সনিয়া গান্ধীর নাম না নিয়েই উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার জন্য তিনি তাঁকে আক্রমণ করেন। এরপর ওয়ারিস পাঠানকে নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
১৯৮৪ দাঙ্গার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে ৭৬ শতাংশ দাঙ্গা কংগ্রেসের শাসনকালে হয়েছিল।
দিল্লী হিংসার পিছনে সিএএ বিরোধী প্রদর্শনের বড় ভূমিকা ছিল। এই হিংসায় যুক্ত কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
লোকসভায় বিরোধীদের কড়া জবাব শাহ’র
দিল্লীর হিংসা নিয়ে সংসদে বিরোধীদের হাঙ্গামার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় বুধবার সরকারের পক্ষে কথা বলেন। অমিত শাহ দাঙ্গার পরিসংখ্যান দিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেন। কংগ্রেসকে তিনি ১৯৮৪’র দাঙ্গা স্মরণ করিয়ে ওয়াইসিকে ধর্মের চশমা দিয়ে হিংসাকে না দেখার পরামর্শ দেন।
হোলির মধ্যে ধার্মিক ভাবনায় যাতে আঘাত না লাগে, সেই জন্য তিনি হোলির পর সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথা বলেছেন বলে জানান অমিত শাহ।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত ৭০০’র বেশি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ২৬৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তদন্তের জন্য দুটি এসআইটি টিমও গঠন করা হয়েছে।
২০ লক্ষ মানুষের বাস পুর্বোত্তর দিল্লীতে হওয়া হিংসাকে ছড়াতে দেওয়া হয়নি। আর এর জন্য দিল্লী পুলিশের প্রশংসা করা উচিৎ। আমি সবসময় দিল্লী পুলিশের সাথে ছিলাম।
আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে আগরায় ডিনার পার্টিতেও যাই নি আমি।
হিন্দু অথবা মুসলিম না, দিল্লী হিংসায় ৫২ জন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। ৫২৬ ভারতীয় এই হিংসায় আহত হয়েছেন। ৩০০ এর বেশি ভারতীয়ের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্দির আর মসজিদ দুটোতেই আগুন লাগানো হয়েছে। আমি দুইপক্ষের জন্যই দুঃখ ব্যাক্ত করছি।
প্রায় ৬০ টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ২২ ফেব্রুয়ারি খোলা হয়েছিল আর ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই অ্যাকাউন্ট গুলো বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশের ৪০ টি টিম দোষীদের ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও দাঙ্গায় ব্যবহৃত প্রায় ৫০ টি হাতিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।
উত্তর প্রদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকা গুলোতে প্রায় ৩০০ জন দিল্লীতে ঢুকে দাঙ্গা করতে এসেছিল। এটা স্পষ্ট যে ষড়যন্ত্র করেই হিংসা করা হয়েছে।
চেহারা দিয়ে চিহ্নিত করা বিশেষ সফটওয়ার এর মাধ্যমে ১১০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০০’র বেশি মানুষ উত্তর প্রদেশ থেকে এসেছিল। এটা সফটওয়ার, এটা ধর্ম আর পোশাক দেখে মানুষ চেনে না।
সনিয়া গান্ধীর নাম না নিয়েই উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার জন্য তিনি তাঁকে আক্রমণ করেন। এরপর ওয়ারিস পাঠানকে নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
১৯৮৪ দাঙ্গার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে ৭৬ শতাংশ দাঙ্গা কংগ্রেসের শাসনকালে হয়েছিল।
দিল্লী হিংসার পিছনে সিএএ বিরোধী প্রদর্শনের বড় ভূমিকা ছিল। এই হিংসায় যুক্ত কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।









কোন মন্তব্য নেই