করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের। সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৩১ মার্চ অবধি সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা পার্বত্য পরিষদের
বিপ্লব দেব হাফলং, ১৫ মার্চ
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেল কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের সতর্কতার জন্য এবং সচেতন করতে সব স্টেশন গুলিতে আঞ্চলিক ভাষায় ঘোষনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন থেকে রেলের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় দেওয়া হবেনা কম্বল এবং পর্দা।
বিশ্বজুরে ত্রাস সৃষ্টি করা কভিড১৯ রোগের সংক্রমন প্রতিরোধের জন্য এই পদক্ষেপ গ্রহন করেছে ভারতীয় রেলে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত রেলের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় যাত্রা করা যাত্রীদের দেওয়া হবেনা কম্বল ও পর্দা। শুধু বালিশ চাদর কভার এবং টাওয়েল দেওয়া হবে যাত্রীদের এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবানন চন্দ। প্রত্যেক যাত্রার পর যেহেতু কম্বল এবং পর্দা গুলি ধূয়ে পরিষ্কার করা হয়না সেই কারনে এই গুলির দ্বারাই ভাইরাস সংক্রামিত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে। যার দরুন রেল কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। তবে নিজের সুবিধার্থে যাত্রীরা নিজে কম্বল নিয়ে আসতে পারেন। উল্লেখ্য জরুরী অবস্থার জন্য পর্দা ও কম্বল ট্রেনে মজুত রাখা হবে এবং কোনও যাত্রীর বিশেষ প্রয়োজন হলে তাদের কম্বল এবং পর্দা দেওয়া হবে বলে জানায় রেল কর্তৃপক্ষ। করনা ভাইরাস দূর না হওয়া পর্যন্ত উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেল অনুরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। যাত্রীর সংস্পর্শে আসতে পারা ট্রেনের কামরা গুলি সবসময় পরিষ্কার করে বীজাণু মুক্ত করে রাখার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়া সংক্রামক এই ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য গঠন করে দেওয়া হয়েছে পৃথক পৃথক দল বলে প্রেস বিবৃতিতে উল্লেখ করেন উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জন্য সংযোগ আধিকারিক। এদিকে ১৬ মার্চ থেকে রাজ্যে সমস্ত স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ২৯ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। করুনার আতঙ্কে এবং সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ ১৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ডিমা হাসাও জেলার সরকারি বেসরকারি বিদ্যালয় কলেজ সব বন্ধ রাখার কথা ঘোষনা করেছে।








কোন মন্তব্য নেই