উন্নাও কাণ্ডে নির্যাতিতার বাবাকে খুনের দায়ে ১০ বছরের জেল বহিষ্কৃত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারের
নয়া ঠাহর ওয়েব ডেস্কঃ ১৩ মার্চ
উত্তরপ্রদেশের উন্নাও ধর্ষণ কান্ডে নির্যাতিতার বাবাকে খুনের দায়ে বহিষ্কৃত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেন্টার ও তাঁর ভাই অতুল সেঙ্গারকে ১০ বছরের কারাবাসের সাজা ও সেই সঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিল আদালত ।
পুলিশ হেফাজতে নির্যাতিতার বাবার উপর অত্যাচার চালানোর দায়ে দুই পুলিশকর্মী কে পি সিং ও অশোক সিং ভাদৌরিয়াকে ১০ বছরের সাজা দিয়েছে আদালত ।
২০১৭ সালের ৪ জুন নির্যাতিতাকে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ করেন কুলদীপ । তারপর তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গোরাও নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করেছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতা । ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেছিলেন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার। সেখানে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলেন নির্যাতিতা। এরপর পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয়েছিল নির্যাতিতার বাবার । রক্তে বিষক্রিয়া ও কোলনে ফুটো হয়ে যাওয়া সহ দেহে অসংখ্য আঘাতের প্রমাণ মিলেছিল ময়নাতদন্তের রিপোর্টে।
নির্যাতিতাকে ধর্ষণের দায়ে গতবছর কুলদীপ সেঙ্গারকে দিল্লির তিসহাজারি আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল।
উত্তরপ্রদেশের উন্নাও ধর্ষণ কান্ডে নির্যাতিতার বাবাকে খুনের দায়ে বহিষ্কৃত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেন্টার ও তাঁর ভাই অতুল সেঙ্গারকে ১০ বছরের কারাবাসের সাজা ও সেই সঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিল আদালত ।
ছবি, সৌঃ ইন্টারনেট
সাজা শোনাতে গিয়ে আদালতের বিচারপতি ধর্মেশ শর্মা বলেছেন, নির্যাতিতা বাবাকে হারিয়েছেন । তাঁর বাড়ি যাওয়ার উপায় নেই। ওই পরিবারে আরও চারটি ছেলেমেয়ে রয়েছে , তারা সকলেই অপ্রাপ্তবয়স্ক । এর মধ্যে তিনজনই মেয়ে । বিচারপতি আরো বলেন , জনপ্রতিনিধি হিসাবে আইন-কানুন মেনে চলাই কর্তব্য ছিল কুলদীপ সেঙ্গারের। কিন্তু যে ভাবে তিনি গোটা অপরাধ ঘটিয়েছেন , তাতে তাঁর প্রতি নরম মনোভাব দেখানোর প্রশ্নই নেই ।পুলিশ হেফাজতে নির্যাতিতার বাবার উপর অত্যাচার চালানোর দায়ে দুই পুলিশকর্মী কে পি সিং ও অশোক সিং ভাদৌরিয়াকে ১০ বছরের সাজা দিয়েছে আদালত ।
২০১৭ সালের ৪ জুন নির্যাতিতাকে বাড়িতে ডেকে এনে ধর্ষণ করেন কুলদীপ । তারপর তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গোরাও নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করেছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতা । ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেছিলেন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার। সেখানে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলেন নির্যাতিতা। এরপর পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয়েছিল নির্যাতিতার বাবার । রক্তে বিষক্রিয়া ও কোলনে ফুটো হয়ে যাওয়া সহ দেহে অসংখ্য আঘাতের প্রমাণ মিলেছিল ময়নাতদন্তের রিপোর্টে।
নির্যাতিতাকে ধর্ষণের দায়ে গতবছর কুলদীপ সেঙ্গারকে দিল্লির তিসহাজারি আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল।









কোন মন্তব্য নেই