Header Ads

দিলীপের নেতৃত্বে মেডিকেল কলেজ মমতার বাংলায় ! কেন্দ্র কি ‘মুখ্যমন্ত্রী’ ভাবছে দিলীপকে !!

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়ঃ

রাজ্যের এক জেলা হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রূপান্তরিত করে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে রাজ্য সরকার অন্ধকারেই রয়ে গেল। কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তরফে চিঠি দিয়ে এই তথ্য
জানানো হল বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। এই ঘটনায় ফের কেন্দ্রের সঙ্গে চরম সংঘাত তৈরি হল রাজ্যের মমতার সরকারের। 

বিতর্কিত এই সিদ্ধান্তের ফলে ফের কেন্দ্র-রাজ্যের বিবাদ তুঙ্গে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। তবে মোদী সরকারের এক মন্ত্রকের তরফে এহেন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নও উঠল বিস্তর। কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজ্যের জন্য সুখবর দিলেন ঠিকই, কিন্তু তা দেওয়া হল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতিকে উদ্ধৃত করে। এখানেই বিতর্ক। প্রশ্ন, দিলীপ কি মুখ্যমন্ত্রী, তাঁকে কেন চিঠি লিখে এই বার্তা দেওয়া হল।
রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্য এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। রাজ্যকে কিছুই জানানো হয়নি কেন্দ্রের তরফে। কেন্দ্র বরাবরই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত তৈরি করে চলেছে। এই ঘটনা দেশের ফেডারেল স্ট্রাকচারের উপর আঘাত। এর প্রতিকার হওয়া জরুরি। তাঁর প্রশ্ন কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যকে এড়িয়ে দলের রাজ্য সভাপতিকে চিঠি দেয়?
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যকে হয়তো চিঠি দিয়েছিল। রাজ্য তো সব ব্যাপারেই কেন্দ্রের বিরোধিতা করে। এবারও হয়তো বিরোধিতা করে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। রাজ্য এখনও জানে না বলছে। এবার সব জেনে যাবে। কেননা, আমি জলপাইগুড়ির সাংসদকে নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে দরবার করেছিলাম। তাই তিনি বিষয়টি অনুমোদন করে আমাকে জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন দিলীপ ঘোষকে চিঠি লেখেন, প্রিয় দিলীপ ঘোষজি, আমি আপনাকে আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি জলপাইগুড়ি হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। এই অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। মেডিকেল কলেজ হিসেবে উন্নীত করার কাজে আপনার সহযোগিতা আশা করছি। আপনি সুযোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে হাসপাতালের উন্নয়ন সাধন করুন।
এদিন চন্দ্রিমা এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রক কোনও চিঠিই দেয়নি। রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে অনেক আগেই চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্রকে। কিন্তু কেন্দ্র রাজ্যকে কোনও চিঠি দেয়নি। তৃণমূলের এই অভিযোগকে আমল দেন নি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্য কিছু করেনি বলেই কেন্দ্র অনুমোদন করেছে।

No comments

Powered by Blogger.