কান্নায় ভেঙে পড়লো শহীদ জওয়ান বিজয়বান সিং এর পরিবার, উল্লাসে মাতলো বাংলাদেশিরা
বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় : নিজেদের বাঙালি তথা শ্রেষ্ঠ জাতি বলে গর্ব করা বাংলাদেশ এখন ভারত তথা ভারতীয়দের জন্য ক্যানসারে পরিণত হয়েছে। জানিয়ে দি, গতকাল জলঙ্গি সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিরা গুলি চালিয়েছে। যাতে ভারতের এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন। আচমকা পেছন থেকে গুলি করে ভারতীয় জওয়ানকে হত্যা করেছে বাঙালি বলে গর্ব করা বর্বর বাংলাদেশিরা। গতকাল মাছধরাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যে উত্তেজনা ছিল তার সমাধানের জন্য ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকা হয়েছিল। বাংলাদেশিরা ভারতের ৩ জন জেলেকে ধরেছিল। যার মধ্যে প্রণব মন্ডলকে ছাড়েনি বাংলাদেশিরা। তাকে ছাড়ানোর জন্য ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকা হয়েছিল।
ফ্ল্যাগ মিটিং সাধারণ খুবই শান্তিপূর্ণ হয় কিন্তু নিজেদের আরবের বংশধর মনে করা বাংলাদেশিরা বিএসএফের উপর গুলি চালায়। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের হামলায় শহীদ হন ভারতের জওয়ান বিজয়বান সিং। একজন বিএসএফ এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ভারতীয়রা বাংলাদেশের এই হামলার বদলা চেয়েছে। তবে ভারত সরকারের সাথে বাংলাদেশের সরকারের খুবই বন্ধুতপূর্ন সম্পর্ক। তাই আদেও সরকার পদক্ষেপ নেবে কিনা তাই নিয়ে প্রশ্নঃ উঠেছে। তবে দুই সরকারের মধ্যে বন্ধুত থাকলেও বাংলাদেশিরা কোনোভাবেই ভারতের হিত চাই না। BSF জওয়ান শহীদ হওয়ার পর বাংলাদেশিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় আনন্দ উল্লাস শুরু করেছে।
দু'একজন বাংলাদেশি এও বলেছে যে, আমরা বাঙালিরা ভারত তথা ভারতীয়দের হারিয়ে দেব। ভারতীয় বিএসএফ জওয়ানের হত্যা নিয়ে কোনো বাংলাদেশী অনুতপ্ত প্রকাশ করেনি। বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুধুমাত্র ভারত বিরোধী শব্দ দেখা গেছে। অন্যদিকে বিজয়বান সিং এর পরিবার একেবারে ভেঙে পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ও বাংলাদেশিদের মধ্যে বির্তক তৈরি হয়েছে। এটা সেই বাংলাদেশ যাদের স্বাধীনতার জন্য ভারতীয় সেনা বুকের রক্ত দিয়ে লড়াই করেছে !
আমরা যুদ্ধে ভারতীয়দের হারিয়ে দেব বিএসএফ জওয়ানকে হত্যার পর হুমকি দিল বাংলাদেশিরা। পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ এবার ভারতের জন্য বিপদ হয়ে উঠতে শুরু করেছে। নিজেরা বাঙালি ও শ্রেষ্ঠ জাতি বলে দাবি করা বাংলাদেশ এখন আতঙ্কবাদের কারখানায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষার নামে বাংলাদেশের যুবকদের মধ্যে জেহাদের মানসিকতা ছড়ানোর কাজ চলছে। গতকাল জলঙ্গি সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিরা গুলি চালিয়েছে। যাতে ভারতের এক BSF জওয়ান শহীদ হয়েছেন। আচমকা পেছন থেকে গুলি করে ভারতীয় জওয়ানকে হত্যা করেছে বাঙালি বলে গর্ব করা বর্বর বিজিডি। গতকাল মাছধরাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যে উত্তেজনা ছিল তার সমাধানের জন্য ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকা হয়েছিল। বাংলাদেশিরা ভারতের ৩ জন জেলেকে ধরেছিল। যার মধ্যে প্রণব মন্ডলকে তারা ছাড়েনি। তাকে ছাড়ানোর জন্য ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকা হয়েছিল।
ফ্ল্যাগ মিটিং সাধারণতঃ শান্তির জন্য হয় কিন্তু বর্বর বিজিডি বিনা প্ররোচনায় বিএসএফ জওয়ানদের উপর গুলি চালায়। নিজেদের শ্রেষ্ঠ বাঙালি মনে করা বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড-এর হামলায় শহীদ হন ভারতের জওয়ান বিজয়বান সিং। একজন বিএসএফ এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু এই নয় বাংলাদেশিরা এখন সোশ্যাল মিডিয়া জুড়েও অশালীন উল্লাসে ফেটে পড়ছে। কিছু বাংলাদেশি ভারতীয়দের হুমকি দিতেও শুরু করেছে।
তাদের দাবি যুদ্ধ হলে তারা অর্থাৎ ‘‘শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতি’’ ভারতীয়দের হারিয়ে দেবে। বলেছে, ভারতের জওয়ানকে গুলি করে মারা বাঙালিদের জন্য বিশাল জয়। হাসানুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি টুইটারে লিখেছে, “আমাদের বিজিডি-এর গুলিতে কসাই বিএসএফ নিহত, এবার মসজিদে মসজিদে মিলাদ হবে। আরেক বাংলাদেশি আরফিন লিখেছে, এটাই বিজিডি, বাঙালির কাছে ভারতীয়রা কিছুই না। আব্দুল্লাহ নামের এক ফেসবুক ইউজার লিখেছে, “গুলির পাল্টা জবাব এইভাবে দিতে হবে ইনশাল্লাহ। শুভকামনা রইল।”
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের মৌলবাদী কৃতঘ্নরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন আনন্দে মেতে উঠেছে। অন্যদিকে ভারত সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের সাথে সুসম্পর্ক নিয়ে এতটাই ব্যাস্ত যে কোনো নেতা মন্ত্রী জওয়ানের বলিদান নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিন্দাসূচক কথা বলেননি। সোশ্যাল মিডিয়ার পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ও বাংলাদেশিদের মধ্যে এ নিযে জোর বির্তক তৈরি হয়েছে।









কোন মন্তব্য নেই