ভারতের উপর কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ানোর সব কৌশলই ব্যর্থ ইমরানের
![]() |
| ছবি-সৌজন্য ইন্টারনেট। |
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা উঠিয়ে নেওয়ার পর ভারত বিরোধীতার সুর সপ্তমে চড়িয়ে ছিল পাকিস্তান। গত দেড় মাসে কাশ্মীর ইস্যুতে শুধু বয়ানবাজি করেই থেমে থাকেননি পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তাঁর মন্ত্রী পারিষদেরা। কাশ্মীর ইস্যুকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী তো বিবৃতির পর বিবৃতি দিয়ে ক্রমেই হাসির খোরাক হয়ে উঠেছিলেন নেট দুনিয়ায়। আন্তর্জাতিক মহলে একমাত্র চিন ছাড়া আর কোনও দেশের সমর্থনও তেমনভাবে জোটাতে পারেনি পাকিস্তান। পাকিস্তানে চিনের প্রচুর বিনিয়োগ থাকায় চিন কার্যত বাধ্য হয় পাকিস্তানের পেছনে দাঁড়াতে।
৩৭০ ধারা তোলার পর ভারত স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছিল, কাশ্মীর ইস্যু ভারতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমর্থন জোটাতে পেরে কার্যত হতাশ ইমরান নিউ ইর্য়কে বলেই ফেলেন, আন্তর্জাতিক দরবারে অভিযোগ জানালেও, তারা কিছুই করতে পারেননি । কোনও চাপও আসেনি মোদীর উপর। এর জেরে তিনি যে চূড়ান্ত হতাশ তাও মেনে নেন ইমরান।
রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশন চলাকালীন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মোদী ও ইমরান আলাদা আলাদা বৈঠক করেছিলেন। মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন ট্রাম্প । কিন্তু এরপর ইমরানের সঙ্গে বৈঠকের ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি মধ্যস্থতা করে কাশ্মীর সমস্যা মিটিয়ে দিতে পারেন। ট্রাম্পের নিমেষে সুর বদলে আলোচনা শুরু হয়েছিল কূটনৈতিক মহলে। কিন্তু মোদীর সঙ্গে ফের বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, মোদী রকস্টার। মোদী ভারতের পিতা। ট্রাম্পের এই ঘোষণাই জল ঢেলে দেয় পাকিস্তানের সব আশায়।
মোদীর উপর চাপ সৃষ্টির ইমরানের কোন কৌশলই কাজে লাগেনি । আন্তর্জাতিক মহল থেকে মোদীর উপর চাপ সৃষ্টির সমস্ত চেষ্টা বিফল হয়ে যায় ইমরানের।









কোন মন্তব্য নেই