Header Ads

পাকিস্তানের জঙ্গিদের টার্গেটে ইউরোপও ! কাশ্মীর নিয়ে ভারতের বড় জয় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় : অপর এক কূটনৈতিক জয় ভারতের। কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থানকে দ্বিচারিতা বলে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করল ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করতে গিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বলেছে, বিশ্বের সব থেকে বড় গণতন্ত্র-এর দেশ ভারত। বছরের পর বছর ধরে ভারত কতগুলি জঙ্গি হামলার সম্মুখিন হয়েছে, সেই সংখ্যাটাও মিলিয়ে দেখা উচিত। দেশে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের পিছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে বলে বরাবর অভিযোগ করে আসছে ভারত।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ইতালির গ্রুপ অফ ইউরোপিয়ান পিপলস পার্টির তরফে ফালভিও মারটুসিলো বলেছেন, পাকিস্তান পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের ভয় দেখাচ্ছে। তাঁর আরও অভিযোগ ইউরোপেও জঙ্গি হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ায় পাকিস্তানকে তুলোধোনা করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কাশ্মীরে হস্তক্ষেপ করার আবেদন করেছিল পাকিস্তান। তা পত্রপাট খারিজ করে দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়ে দিয়েছে, কাশ্মীর সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনার মাধ্যমেই ভারতের সঙ্গে সমাধান করতে হবে।
ইতালির মুখপাত্র ফুলবিও মার্তুসিয়েলো বলেছেন, পাকিস্তান পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে। পাকিস্তান থেকেই ইউরোপে জঙ্গি হামলার ছক কষা হচ্ছে। এছাড়া পাকিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়েও তিনি ইমরান খানের দেশকে একহাত নিয়েছেন।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অপর সদস্য তথা পোলান্ডের নেতা রিসজার্ড জারনেকি বলেন, ভারত বিশ্বের সব থেকে বড় গণতান্ত্রিক দেশ। সবারই দেখা উচিত ভারত তথা জম্মু ও কাশ্মীরে সংগঠিত জঙ্গি হামলার দিকে। এইসব জঙ্গিরা চাঁদ থেকে নেমে আসেনি। তারা প্রতিবেশী দেশ থেকেই এসেছে। এব্যাপারে ভারতকে সমর্থন করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অগাস্টের শুরুতে নরেন্দ্র মোদী সরকার কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল করে দেয়--যে ধারায় জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে উঠেপড়ে লেগেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ভারতে জঙ্গি হামলা সহ পারমাণবিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারিও দিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের পর থেকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টে কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনা হল। কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সুদূর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিতেও।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.