Header Ads

এনআরসি থেকে নামছুট বাঙালি হিন্দু মুসলমানরা জোটবদ্ধভাবে প্রতিবাদী আন্দোলন করলে ,আন্দোলন' শক্তিশালী হতো ।এই অভিমত বিধানসভার উপাধ্যক্ষ আমিনুল হক লস্করের



অমল গুপ্ত

এন আর সি থেকে   বাঙলি হিন্দু  সম্প্রদায়ের মানুষের নাম বেশি কাটা  পরেছে, তারপর    মুসলিম   সম্প্রদায়ের মানুষের  নাম , অথচ উভয় সম্প্রদায়ের  এন আর সি ছুট সংখ্যালঘু  বাঙলীরা  জোট বদ্ধ ভাবে  মিলে মিশে প্রতিবাদ আন্দোলন করছে না।  ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিবাদ করলে এই আন্দোলন শক্তিশালী হতো। আজ  রাজ্যের বাঙলি সংগঠনের   নেতাদের সামনে বিধানসভার উপাধ্যক্ষ  আমিনুল হক লস্কর একথা বলেন। তিনি বলেন বরাক উপত্যকায়   এন আর সি  তালিকা  থেকে   প্রায় 80 শতাঅংশ  বাঙলি হিন্দু এবং প্রায় 20  শঅংশ  বাঙলি মুসলিম  সম্প্রদায়ের মানুষের নাম বাদ পড়েছে অথচ   বাঙলি   সংগঠনের  নেতারা  বাঙললি  মুসলিম দের সঙ্গে নিয়ে  আন্দোলন করছে না।     একই উদ্দেশ্যে আন্দোলন  , উভয় সম্প্রদায়   এন আর  সি   থেকে বিচার পাইনি, তাই   প্রতিবাদী   আন্দোলন ও   জোট  বেঁধে করলে সুফল  পাওয়া যেত বলে মন্তব্য করেন  বরাকের প্রতি নিধি   , উপাধ্যক্ষ  লস্কর। সারা অসম বাঙলি ঐক্য মঞ্চের  সাধারন সম্পাদক শান্তনু মুখার্জি , অল ইন্ডিয়া বেঙ্গলি অর্গানাইজেশন   এর সাধারণ সম্পাদক মানস রায়,   অসম শাখার  সভাপতি আশীষ দাস   প্রমুখ বাঙলি নেতারা   এন আর সি    উদ্ভূত  পরিস্থিতি নিয়ে   উপাধ্যক্ষ এর  সঙ্গে আজ দিসপুর এর সরকারি বাস ভবনে   আলোচনা  করেন।   মানস রায় জানান,এন আর সি   থেকে 19 লাখ 6 হাজার,637 জনের নাম বাদ পড়েছে। তারমধ্যে প্রায় 4 লাখ আবেদন করেনি,   তারা  বিভিন্ন  রাজ্যের  নাগরিক যাদের  নথি পত্র পরিক্ষর পর ফিরে  আসেনি। অসমের খিলাঞ্জিয়া মানুষ অসমীয়া, কোচ রাজবংশী, গারো, নেপালি, হাজং, প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর  প্রায়  তিন লাখ 30 হাজার মানুষের নাম বাদ   পড়েছে।  বাকি  থাকা মাত্র 11 লাখ 50 হাজার  মানুষের নামের   মধ্যে  বাঙলি  হিন্দু  60 ভাগ  এবং বাঙলি মুসলিম এর 40  ভাগ নাম বাদ পরেছে।    আশীষ দাস জানান, রাজ্যে  প্রায় 71 লাখ বাঙলি হিন্দু এবং  প্রায় 1 কোটি 20 লাখ বাঙলি মুসলিম   বসবাস করে। সরকারি নথি মাইগ্রেশন  রিফিউজি কার্ডএর মত  নথিও এন আর সি কর্তৃপক্ষ খারিজ করে দেয়। তাছাড়া বহু   পুরোনো নথি  নষ্ট হয়ে  যাওয়ার জন্যে বাঙলি হিন্দুদের নাম  বাদ যায়।   তারা জানান    এন আর সি নাম ছুটদের   অন   লাইন এ   বিদেশি ট্রাইবুন্যাল এর কাছে  আবেদন করতে হবে।  ট্রাইবুন্যাল  নথি গুলি পরীক্ষা করবে ,  যদি  ঠিক  থাকে, তবেই  আবেদন কারীকে  শুনানির জন্যে  ডাকা  হবে ,নতুবা  নথি খারিজ করে  দেবে। নভেম্বরে র আগে   শুনানি শুরু হবে না। রেজিস্টার  জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ  থেকে  বিজ্ঞপ্তি  জারি না হওয়া পযন্ত     নাম ছুট রা ঝুলে থাকবে, কোনো ফয়সালা হবে না। পুজোর মরসুমে  বাঙলি রা ভয় ও আতঙ্কে র  মধ্যে দিন  অতিবাহিত করছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.