Header Ads

ধরা পড়ে গেল পাকিস্তান, ২০১০ এর নকশালী ভিডিও দেখিয়ে কাশ্মীরের ঘটনা বলে চালাচ্ছে পাকিস্তান

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় : জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়া আর লেহ-লাদাখকে কেন্দ্র শাসিত রাজ্য বানানোর পর কেন্দ্র সরকার ধীরে ধীরে উপত্যকা থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিচ্ছে। জম্মুর কিছু এলাকায় মোবাইল পরিষেবা চালু হয়েছে। ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর ভারতে সব কিছুই স্বাভাবিক, কিন্তু পাকিস্তান আর পাকিস্তানি মিডিয়ার ভুয়ো খবর ছড়ানোর কাজ আর শেষ হচ্ছে না। আর এরকমই এক ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে পাকিস্তানের নিউজ চ্যানেল ২০১০ সালে হওয়া দান্তেওয়ারায় নকশালি হামলার ভিডিওকে জম্মু কাশ্মীরের ভিডিও বলে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেল দান্তেওয়ারার ফাইল ফুটেজ শেয়ার করে জম্মু কাশ্মীরে কর্তব্যরত সিআরপিএফ জওয়ানদের বলে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। কাশ্মীর নিয়ে গুজব রটানো পাকিস্তানি মিডিয়ার এক অ্যাঙ্কার ২০১০ সালের দান্তেওয়ারার ভিডিও শেয়ার করে বলেছে যে, কাশ্মীরে ফিদাইন হামলা হয়েছে আর সেই হামলায় সিআরপিএফ-এর জওয়ানেরা নিহত হয়েছে। পাকিস্তান এবং পাকিস্তানি মিডিয়া ৯ বছর আগের ভিডিও ব্যাবহার করেছে। কিন্তু ঘটনা হল, এই হামলা ২০১০ সালে দান্তেওয়ারায় নকশাল জঙ্গি দ্বারা সুকমা জেলায় করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গতঃ দান্তেওয়ারায় নকশালদের এই হামলায় সিআরপিএফ এর ৭৬ জন জওয়ান নিহত হন। নকশালি হামলার পর জঙ্গলের আলাদা আলাদা যায়গা থেকে সিআরপিএফ-এর জওয়ানদের মৃত দেহ তুলে এক যায়গায় সারিবদ্ধ ভাবে রাখা হয়েছিল।
পাকিস্তানি মিডিয়ায় এই শহীদ জওয়ানদের মৃত দেহ দেখানো হচ্ছে। পাকিস্তানি মিডিয়ার এই ভিডিও দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, পাকিস্তান শুধু ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটিয়ে বসে থাকছে,না তারা আমাদের শহীদ জওয়ানদের অপমানও করছে। আর তারা এই ভিডিও নিজেদের অকর্মণ্যতা আড়াল করার জন্যই করছে। তারা নিজেরা এবং নিজেদের দেশের জনতাকে এই ৯ বছর পুরনো ভিডিও দেখিয়ে চাগিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
দুর্ভাগ্যের বিষয় হল ভারতেরও কিছু তথাকথিত মানবতাবাদী ধর্মনিরপেক্ষ আঁতেল এইসব ভুয়ো ফটোশপ করা ছবি ও ফেক খবরগুলো উপাদেয় চাটনির মতো চেটে যাচ্ছে ও সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে চলেছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.