তালিকায় নাম না থাকলে বিদেশি বলা যাবে না, এনআরসি-র প্ৰক্ৰিয়া নিয়ে অসন্তুষ্টি প্ৰকাশ অনেকেরই
নয়া ঠাহর ওয়েব ডেস্কঃ এনআরসি তালিকায় নাম বাদ পড়লেই বিদেশি বলা যাবে না। এই তালিকায় অসমের বিজেপি নেতাদের একাংশ আস্থা রাখতে পারছেন না। অসম থেকে অবৈধ অনুপ্ৰবেশকারীদের বিদায় করতেই এই তালিকা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এনআরসি-র মাধ্যমে সত্যিই তাদের বিদায় করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে নানা মহলে। খোদ মন্ত্ৰী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা এমন কথা বলেছেন।
প্রতীকী ছবি, সৌঃ আন্তর্জাল
হিমন্ত বলেন- নাগরিকপঞ্জির খসড়া তালিকা প্ৰকাশের পরেই আমরা এর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিলাম। কারণ সেখানে বহু ভারতীয়ের নাম বাদ পড়েছে। এরপরে কীভাবে বলা যায়, এই জাতীয় নাগরিকপঞ্জি অসম থেকে বিদেশি বিতাড়নে সাহায্য করবে? তিনি আরও বলেন- এনআরসিতে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন দক্ষিণ শালমারা এবং ধুবড়ি জেলা থেকে মানুষ বাদ পড়েছে সবচেয়ে কম। কিন্তু ভূমিপুত্ৰ জেলায় বাদ পড়ার হার খুব বেশি।
এনআরসি তালিকা প্ৰকাশকে কেন্দ্ৰ করে অসমে নিরাপত্তা বলয় আটোসাটো করে তোলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্পৰ্শকাতর এলাকায় হাজার হাজার আধাসেনা বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। ডিউটিতে রয়েছে পুলিশও। বেশ কিছু জায়গায় ১৪৪ ধার জারি আছে।
এদিকে কেন্দ্ৰীয় সরকার অসমের মানুষকে আশ্বাস দিয়ে বলেছে- এনআরসি থেকে বাদ পড়া মানেই কাউকে বিদেশি বলে তাড়িয়ে দেওয়া হবে না। কেউ বাদ পড়লে ফরেনাৰ্স ট্ৰাইব্যুনালে সাৰ্টিফায়েড কপি সমেত ফের নথিপত্ৰ সহ আবেদন করতে পারবেন। সবরকম আইনি প্ৰক্ৰিয়া শেষ হলে তবেই কাউকে বিদেশি বলা যাবে।
অন্যদিকে, এনআরসি-র চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে অসন্তুষ্টি প্ৰকাশ করেছেন অনেকেই। অসমের প্ৰাক্তন মুখ্যমন্ত্ৰী তরুণ গগৈ তালিকা নিয়ে অসন্তুষ্টি প্ৰকাশ করেছেন। তালিকা একটা ওয়েস্ট পেপারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। রাজ্য বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস এনআরসি প্ৰক্ৰিয়া নিয়ে অসন্তুষ্টি প্ৰকাশ করেছেন। নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে অসন্তুষ্টি প্ৰকাশ করেছে আসু।









কোন মন্তব্য নেই