ফোনে দুঃখপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর ! তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব ক্ষমা চাইল নিগৃহীত অধ্যাপকের কাছে !!
বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়
কোন্নগরের নিগৃহীত অধ্যাপককে ফোন করে দুঃখপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধ্যাপকের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও এদিন অধ্যাপকের সঙ্গে গিয়ে কথা বলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি এবং উত্তরপাড়ার বিধায়ক। তাঁরা ওই অধ্যাপকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনায় ২ টিএমসিপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
কোন্নগরের নিগৃহীত অধ্যাপককে ফোন করে দুঃখপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধ্যাপকের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও এদিন অধ্যাপকের সঙ্গে গিয়ে কথা বলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি এবং উত্তরপাড়ার বিধায়ক। তাঁরা ওই অধ্যাপকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনায় ২ টিএমসিপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এমএ ছাত্রীদের সঙ্গে ডিগ্রি কোর্সের ছাত্রছাত্রীদের অশান্তিতে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল কলেজ চত্বর। তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান না দেওয়ায় ছাত্রীদের আটকে রাখার পাশাপাশি মারধরের অভিযোগও ওঠে। আটকে রাখা ছাত্রীদের বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে বেধড়ক মারা হয়। ঘটনায় কলেজের টিএমসিপি নেতৃত্বার পাশাপাশি স্থানীয় কাউন্সিলর তন্ময় দেব প্রামাণিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছিল।
অধ্যাপকের অভিযোগ ২০১১ সালের পর থেকেই তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাঁর আরও অভিযোগ, কলেজে তিনবছর ধরে বেআইনিভাবে ছাত্র সংসদ চলছে। এর আগেই কলেজে হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে। তা নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে তাঁদেরই হেনস্থা হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই অধ্যাপক।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী যেমন নিগৃহীত অধ্যাপককে ফোন করে দুঃখপ্রকাশ করেন, ঠিক তেমনই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অধ্যাপকের কাছে গিয়ে ক্ষমা চান। উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল অধ্যাপকের পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। এই ঘটনার পিছনে কারা আছে জানতে চান তিনি। প্রথমে নাম জানাতে অস্বীকার করেন নিগৃহীত অধ্যাপক। তিনি বলেন, নাম করলে কাল থেকে কলেজে ঢোকা বন্ধ হয়ে যাবে। পরে আশ্বস্ত হওয়ায় স্থানীয় কাউন্সিলর তন্ময় দেব প্রামাণিকের নাম করেন বলে জানা গিয়েছে।









কোন মন্তব্য নেই