Header Ads

অসমে বন্যার জল কমলেও মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে, নেই পৰ্যাপ্ত ত্ৰাণ, সরকারের আছে শুধু আশ্বাস


নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ 

 অসমের দুই প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্র,  বরাক সহ অন্যান্য নদী গুলোতে বন্যার জল স্তর নামছে, কিন্তু বন্যা দুর্গতদের দুর্ভোগ বেড়েছে, কমেনি। ৩২ জেলাতে ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ আজও  ত্রাণ শিবির গুলোতে আছে। পানীয় জল, ওষুধ পত্র তো পায়নি, ত্রাণ সাহায্যের পরিমাণ খুবই কম, দরং জেলাতে পচা চাল বন্টন করা হয়েছে, ধুবড়ি শহরের ৩০০ পরিবার রেল   লাইনের ওপর আশ্রয় নিয়েছে, রেল চলাচল বাধা প্রাপ্ত হয়েছে তাদের কোনও খাদ্য বস্তু দেওয়া হয়নি।
ছবিঃ নিজস্ব
 বরপেটার  ভোকটপারাতে জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ মাত্র ৭ ফুট গভীরের   টিউবকল বসিয়েছে, গ্রামের মানুষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। জলজাত রোগ শুরু হয়েছে, তার উপর অধিকাংশ গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। এক বিভীষিকাময় পরিবেশ জল কমলেও নিজেদের ঘরে ফিরে যেতে চাইছে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্ৰবার পুনরায় দিল্লিতে প্রতিশ্ৰুতি দিয়ে বলেছেন অসমের বানভাসি মানুষের পাশে তিনি আছেন। অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কৃষি মন্ত্রী অতুল বরা, মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল সেই একই আশ্বাসবাণী, অর্থের ওভাব নেই। পর্যাপ্ত অর্থ আছে। বন্যাৰ্তদের অভিযোগ তবে কেন উপযুক্ত পরিমান ত্রাণ সাহায্য দেওয়া হচ্ছে না? স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনওয়াল এদিন নিজের কেন্দ্র মজুলির বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে ব্রহ্মপুত্র বোর্ডের অফিসারদের বকাবকি করেন। এদিকে সিপাঝাড় অঞ্চল এর বন্যাদুর্গতদের মাঝে অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ত্রাণ সাহায্য এর পরিমাণ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই নদী বাঁধ মেরামতে বারবার টাকা দেওয়া হচ্ছে , তারপর কেন ভাঙছে বলে  ঠিকাদারদের সমালোচনা করেন। সব থেকে মজার ঘটনা, করিমগঞ্জ জেলাতে, টিভি  সামনে এক বানভাসি মহিলা অভিযোগ করেন , মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ শিবির পরিদৰ্শনের আগে সবাইকে বলা হয় মুখ্যমন্ত্রী জিজ্ঞাসা করলে যেন বলা হয় করিমগঞ্জ জেলা  প্রশাসন ভালো মতো ত্রাণ দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল শিবির ছেড়ে চলে যাওয়ার পরই সব ত্রাণ অর্থাৎ খাদ্য বস্তু ও অন্যত্ৰ ফিরিয়ে নিয়ে চলে যায়। প্রাক্তন মন্ত্রী ডঃ অর্ধেন্দু কুমার দে আজ অভিযোগ করেন হোজাই জেলাতে অধিকাংশ এলাকাতে ত্রাণ দেওয়া হয় নি। দিসপুর তিনি অভিযোগ করেন  ত্রাণ না দিয়েও যখন বিজেপি ভোট পাচ্ছে, তখন ত্রাণ দিয়ে কি লাভ? কাজিরাঙ্গার রাস্ট্রীয় উদ্যানে প্রাণীদের মৃত্য মিছিল চলছে। এ পৰ্যন্ত ৭ টি গণ্ডার ও শতাধিক হরিণ সহ অন্যান্য প্রাণী মারা গেছে। মানুষের মৃত্যুর মিছিল ও বেড়ে চলছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.