অসমের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্ৰী প্ৰধানমন্ত্ৰীর সঙ্গে কথা বললেন, বন্যায় ৩১ জেলা জলের নিচে, লাখ লাখ মানুষ জলবন্দি, হাহাকার, নেই পানীয় জল
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটি
অসমের ৩১ জেল প্লাবিত হল। উজান অসম নিম্ন অসম এবং ব্রহ্মপুত্র বরাক উপত্যকার মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এমনকি গুয়াহাটি মহানগরের উজান বাজার এলাকা ব্রহ্মপুত্রের বন্যার জলে প্লাবিত হয়েছে। প্রধান বাজার ফেন্সি বাজারও ব্রহ্মপুত্র নদের হুমকির মুখে। ২০১৪ সালের রেকর্ড ভাঙতে চলছে। বন্যার এই সংহারীরূপ, প্রতি ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রের জলস্তর ১ সেন্টিমিটার করে বেড়ে চলেছে, সব কিছু নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে, প্রায় ১ লাখ হেক্টর কৃষি জমি ডুবে গেছে।
এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের আশ্বাসের পরও কেন্দ্র থেকে এক পয়সা আসেনি, মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল অমিত শাহের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন, সোমবার মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন এবং যথারীতি সাহায্যের আশ্বাসও পেয়েছেন বলে দিসপুর সূত্রে জানা গেল। কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী মঙ্গলবার অসমের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আসার কথা ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি ভয়াল দেখে সোমবার রাতেই তিনি বিমানে গুয়াহাটিতে এসে উপস্থিত হয়েছেন। তাঁকে বড়ঝাড় বিমান বন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের জল সম্পদ মন্ত্ৰী কেশব মহন্ত।
অসমের মন্ত্রী বিধাকরা আজও বন্যাপীড়িত দের কাছে যাননি , পর্যাপ্ত ত্রাণ সাহায্যও বন্যাদুর্গতদের বন্টন করা হচ্ছে না বলে জেলাগুলো থেকে অভিযোগ আসছে। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনওয়াল এদিন নলবাড়ি এবং বরপেটার বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যান। মুখ্যমন্ত্রীর প্রেস উপদেষ্টা ঋষিকেশ গোস্বামীও সঙ্গে ছিলেন।
অসমের মন্ত্রী বিধাকরা আজও বন্যাপীড়িত দের কাছে যাননি , পর্যাপ্ত ত্রাণ সাহায্যও বন্যাদুর্গতদের বন্টন করা হচ্ছে না বলে জেলাগুলো থেকে অভিযোগ আসছে। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনওয়াল এদিন নলবাড়ি এবং বরপেটার বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যান। মুখ্যমন্ত্রীর প্রেস উপদেষ্টা ঋষিকেশ গোস্বামীও সঙ্গে ছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রী যথারীতি আশ্বাস দিয়ে বলেন রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্যে বিশেষ বাবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ত্রাণের কোনও অভাব হবে না। সব ডিসি এবং বিডিও, সার্কেল অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উজানের সঙ্গে যোগাযোগের সড়ক ৩৭ জাতীয় সড়ক জলে ডুবে গেছে, কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের বানভাসি জন্তু জানোয়ার এই সড়ক অতিক্রম করে কার্বি পাহাড়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচায়, এই সড়ক যানবাহন চলাচলের গতি নিয়ন্ত্রিত করতে পারছে না বন বিভাগ।
গাড়ি চাপা পড়ে এক ডজনের বেশী হরিণ প্রাণ হারিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেল। জল সম্পদ মন্ত্রী কেশব মহন্ত সোমবার কাজিরাঙার বন্যা দুর্গত অঞ্চল পরিদর্শন করেন আর আশ্বাস দেন যথারীতি। অসমের সাংসদরা আজ অসমের বন্যাকে জাতীয় দুর্যোগ হিসাবে গন্য করে পর্যাপ্ত আর্থিক সাহায্য প্রদানের জন্যে সংসদের সামনে ধর্ণা দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার অসমের বন্যা ধসের মতো গুরুতর সমস্যাকে সমস্য বলে ভাবেনা, যদি ভাবতো তবে মুখ্যমন্ত্রী গত বন্যার ক্ষয় খতি বিশদ জানিয়ে হাজার কোটির এক হিসাব তুলে ধরে দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এক পয়সাও দেয়নি।









কোন মন্তব্য নেই