Header Ads

দিসপুরের বিরুদ্ধে মাৰ্ঘেরিটায় কয়লা সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ কংগ্ৰেস সাংসদের

ছবি, সৌঃ জিপ্লাস
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ 
অসম বিধানসভা জানিয়েছিল রাজ্যের উজান অসমের মার্ঘেরিটা, লিডো ও অন্যান্য এলাকায় যে পরিমাণ কয়লা মজুত আছে তা ১০০ বছর পৰ্যন্ত চলবে। তিনসুকিয়া জেলার মার্ঘেরিটা  অঞ্চলে নামডাক পাহাড়ের পাদদেশে ওপেন কাস্ট কয়লা খনি, ভূগর্ভস্থে নয়। ভারতে কম আছে। ১৮৮৫ সাল থেকে এই কয়লা খনন চলছে। 

নর্থ ইস্টার্ন কোলফিল্ডস কোল ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীন এই বৃহৎ পরিমাণ কয়লা মজুত থাকলেও এক বৃহৎ সিন্ডিকেট পুলিশ, বন বিভাগ, তিনসুকিয়া জেলা প্রশাসন এমন কি দিসপুরের আশীর্বাদ নিয়ে বছরের পর চলছে, সরকার বদল হলেও পরের সরকারের মদতে তা চালু থাকে। 

আগে অগপ, কংগ্রেস এখন বিজেপির সমর্থকের আশীর্বাদ নিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ কয়লা কারবার চলছে। এই বৃহৎ পরিমাণ কয়লাতে সালফার আছে, যার দরুন বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই কয়লা উপযুক্ত নয়। তবে এক সাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই এই কয়লা ব্যবহার করা যেতে পারে, রাজ্যে বৃহৎ আকারের বিদ্যুৎ প্ৰকল্প নির্মাণ করা যেতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক মদতপুষ্ট কয়লা সিন্ডিকেট কয়লা থেকে সালফার বিযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। 

এই কয়লা ব্যবহার করে আমগুড়িতে বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনা হয়েছিল। বঙ্গাইগাঁওয়ের এনটিপিসি বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করেছে। ৭০০ মেগাওয়াট ক্যাপাসিটির এই প্রকল্পের কাঁচা মাল কয়লা আমদানি করা হয় বিহার, পশ্চিমবঙ্গ থেকে। অথচ অসমে কোটি কোটি টন কয়লা মজুত আছে। সালফার থাকার জন্যে তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। 

মার্ঘেরিটার এই বৃহৎ পরিমাণ কয়লার বেআইনি খনন এবং কোটি কোটি টাকার অবৈধ ব্যবসা নিয়ে প্রাক্তন বনমন্ত্রী এবং মার্ঘারিটার আদি বাসিন্দা তথা সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈ রবিবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তার অভিযোগ তিনসুকিয়া জেলার এসপি, ডিসি, বনবিভাগ, উদ্যোগ বিভাগ, তিনসুকিয়া জেলা প্রশাসন, এমন কি একাংশ মিডিয়া এই বৃহৎ চুরি কাণ্ডে জড়িত, নগাঁওয়ের কংগ্রেস সাংসদ  আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে মুখ্যমন্ত্রীর কাৰ্য্যালয়ের দিকে আঙ্গুল তুলে বলেন, দিসপুর থেকে এই ব্যবসা চালানো হয়। তিনি বলেন- একটির পর একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংস করা হচ্ছে। গত দুবছরে সিন্ডিকেট রাজ ব্যাপক লুণ্ঠন চালাচ্ছে। এদিন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির এক মুখপাত্র বলেন কংগ্রেস আমলে ব্যাপক হারে বনধ্বংস হয়েছে। কয়লা সিন্ডিকেটও চলতো এখন নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

No comments

Powered by Blogger.