শরাইঘাট সেতুর কাজ তিন মাসের ভেতরে সম্পূর্ন করার নির্দেশ জেলা শাসকের
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, গুয়াহাটি: মহানগরের পুরানো শরাইঘাট সেতুর মেরামতি হয়ে থাকার জন্য বিগত একমাস ধরে দ্বিতীয় নতুন সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে যানবাহন সহিত সমস্ত লোকেরা। ফলে বিপদের সম্মুখীন হয়েছে হাজার হাজার লোক। নিম্ন আসামের বিভিন্ন জায়গা থেকে গুয়াহাটিতে আসা প্রতিজন লোককে এক থেকে পাঁচ ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে শরাইঘাট সেতু পার হবার জন্য।
উল্লেখ্য, পুরানো শরাইঘাট সেতুতে বড় ফাটল ধারার জন্য সেতুর পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছিল প্রায় এক মাস আগে। কাজ ৩ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে বলা হয়েছিল। এখন সেখানে মাত্র ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে প্রথম
মাসে । শুক্রবার কামরূপ জেলাশাসক, রেল বিভাগ ও রাষ্ট্ৰীয় রাজমার্গ উন্নয়ন প্রাধিকারনের একটি বৈঠক হবার পরে এই ঘটনাটি সামনে আসে।
রাষ্ট্রীয় রাজমার্গ উন্নয়ন প্রাধিকরণ এর দ্বারা প্রাপ্ত ধান রাশিতে সেতুর নির্মাণ কাজ করছে রেল বিভাগে। প্রশাসন থেকে সেতু নির্মাণের জন্য মাত্র তিনটি মাস সময় দেওয়া হয়েছিল বিভাগকে। কিন্তু কম সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করার জন্য বর্তমানে খুবই ধীরে ধীরে কাজ চলছে। প্রতিদিনই সেতুর ওপরে হচ্ছে তীব্র যানজট প্রায় এক থেকে তিন ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে লোকেদের। শুক্রবার জেলাশাসক শীঘ্র কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে রেল বিভাগকে।
যানবাহন শাখার পুলিশ বলেন, নতুন শরাইঘাট সেতু দিয়ে দুটো সেতুর গাড়ী একসাথে পর হচ্ছে এর মধ্যে এম্বুলেন্স, স্কুল বাস সবই আছে, ফলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে যথেষ্ট কষ্ট হচ্ছে।এর সাথে আগের থেকে গাড়ির সংখ্যাও অনেক বেশী হয়েছে।অনেক সময় এক সাথে যান্ত্রিক বিচ্যুতির ফলে কয়েকটা গাড়ী খারাপ হওয়ায় গাড়ীগুলোকে উদ্ধার করে নিয়ে আসতে সময় লাগছে। যদিও খারাপ হওয়া গাড়িকে উদ্ধার করতে রিকভারি ভ্যান সঙ্গে সঙ্গেই পাঠানো হয় তথাপি সেই সময়ের মধ্যেই প্রচুর যানজট হয়ে যাচ্ছে। সেই যানজট ঠিক করতে কয়েক ঘন্টা সময় লাগছে। এর জন্য যানবাহন শাখার অফিসরা সর্বদাই নজর রাখছে। ২৪ ঘন্টা লোক নিয়োগ করা হয়েছে। সে যাই হোক না কেন সাধারণ মানুষরা এই যানজটের ফলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।









কোন মন্তব্য নেই