Header Ads

ভোট কাকে দেবে রাজ্যের বাঙালিরা? ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী নিরপোরাধ বাঙালিদের মুখের কথা চিন্তা করেই ভোট দেবে

লোকসভা নির্বাচন ২০১৯
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ  বরাক সহ অসমের ৫০ লক্ষ্যেরও বেশি বাংলাভাষী হিন্দু ভোটার এবার কোন দলকে ভোট দেবে? এনআরসি ডিটেনশন ক্যাম্প এবং ডি ভোটার নিয়ে সবচেয়ে বেশি হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে বাঙালিদের। এনআরসি-র চাপে ৩৯ জন  আত্মহত্যা করেছে। দুই বড় দল মাত্র দুজন হিন্দু বাঙালিকে প্রার্থী করেছে। বরাক উপত্যকার শিলচর কেন্দ্রে কংগ্রেসের সুস্মিতা দেব এবং বিজেপির রাজদীপ রায় ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন। একমাত্র করিমগঞ্জ কেন্দ্র তফসিলভুক্ত বাঙালিদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। বিজেপি চা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিন্দিভাষী প্রতিনিধিকে দেওয়া হল। কংগ্রেস দলের সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন পাল বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেছেন বিজেপি বরাকের বাঙালিদের জন্য সংরক্ষিত করিমগঞ্জ আসনটি ছিনিয়ে নিল। রাজ্যে ৩৫টির বেশি বিধানসভা কেন্দ্র বাঙালি হিন্দু নির্ণায়ক শক্তি। ২৫টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করতে পারে। কিন্তু কোনও দলও বাঙালিদের উপযুক্ত নিরিখে টিকিট দেয় না। রাজধানী শহর গুয়াহাটি কেন্দ্রে ৩ লক্ষ্যের বেশি বাঙালি ভোটার রয়েছে। নগাঁও কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৭ লক্ষ্যের মধ্যে ৫ লক্ষের বেশি বাঙালি ভোটার রয়েছে। এই কেন্দ্রের অধীন লামডিং প্রায় ২ লক্ষ বাঙালি ভোটার রয়েছে। নগাঁও, হোজাই, লংকা, রহা প্রভৃতি বাঙালি প্ৰধান অঞ্চল। সব মিলিয়ে প্রায় ৬ লক্ষ বাঙালি হিন্দু ভোটার রয়েছে। কিন্তু তাদের টিকিট দেওয়ার কথা কোনও দলই চিন্তা করে না। নাগরিকত্ব বিলের নামে রাজ্যে যে ভাবে বাঙালি বিরোধী আন্দোলন হল বাঙালিদের রক্ষক শাসক দল এগিয়ে আসেনি বলে বাঙালি সংগঠনের অভিযোগকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অপরদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ভারতীয় গণপরিষদ ইত্যাদি দল বাঙালিদের কথা বলার পরও তাদের ওপর ভরসা নেই। অগপ দল কোনও দিন বাঙালিকে দেখেনি। বিজেপি এবং কংগ্রেস তাদের কাৰ্যনিৰ্বাহী কমিটি বাঙালি প্ৰতিনিধিদের সুযোগে দেয় নি। এখন তাদের ভোট চাই। তাই রাজ্যে কোনও দলই বাঙালিদের একচেটিয়া ভোট পাবে না। ভোট দেওয়ার আগে হাজার চিন্তা করবে। ডিটেনশন ক্যাম্প বিনা দোষে বন্দী বাংলাদেশ অভুক্ত মুখ গুলির কথা মনে রেখে ভোট দেবে।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.