Header Ads

কামাখ্যা ধামে চিতা বাঘের হামলায় গুরুতর আহত ৩

দেবযানী পাটিকর, গুয়াহাটিঃ  শক্তিপীঠ কামাখ্যা ধামে চিতা বাঘের হামলায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন তিন জন। এদের মধ্যে দুজন মহিলা।  সোমবার রাতে কামাখ্যা মন্দিরের পাণ্ডা সুখেন প্রাসাদ শর্মার স্টোর রুমে ঢুকে পরে একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘ । মঙ্গলবার সকালে যখন সুখেন শর্মার বোন গীতা দেবী  স্টোর রুমের ভেতরে যান সেই সময়  হঠাৎ করে বাঘটি তাঁকে হামলা করে। এই দেখে  সুখেন শর্মা দৌড়ে আসেন ও বাঘের হানা থেকে গীতা দেবীকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন । কিন্তু সেই সময় বাঘটা গীতা দেবীকে ছেড়ে সুখেন শর্মাকে থাবা বসায়। ফলে গুরুতর ভাবে আহত হন কামাখ্যা মন্দিরের পান্ডা সুখেন প্রাসাদ শর্মা। বাঘটি এরপর  কামাখ্যা মন্দিরের এক কর্মী ক্ষিতিশ শর্মার ঘরে ঢুকে পড়ে। অন্য আরেকটি  ঘরে ঢুকে তাঁর স্ত্রী জয়ন্তী দেবীকে হামলা করে। বাঘের হানায় গুরুতর ভাবে আহত হন জয়ন্তী দেবী। পরে আসেপাশের লোকেরা  অনেক চেষ্টা করে বাঘটিকে ক্ষিতিশ শর্মার ঘরের মধ্যে আটকে রাখতে সফল হয় । এদিকে বাঘের হামলায় গুরুতরভাবে আহত তিনজনকে এলাকার লোকেরা মালিগাঁওয়ের  সঞ্জীবনী হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনা নিয়ে সম্পূর্ণ নীলাচল পাহাড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে । এদিকে খবর দেওয়ার পর অনেক দেরি পর্যন্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বন বিভাগের লোকেরা এমনটাই অভিযোগ। পরে ৬ ঘন্টা লাগাতার চেষ্টার পরে অবশেষে বাঘটিকে ঘুমপাড়ানি ওষুধ দিতে সফল হন বন বিভাগের লোকেরা। প্ৰসঙ্গত, মাত্র কিছু দিন আগেই গোশালার আদিঙগিরি পাহাড়ের শংকর নগরের বাসিন্দা দীপক হুজুরী এবং তাঁর  স্ত্রী কমলা হুজুরীকে চিতা হামলা করে গুরুতরভাবে আহত করেছিল। বর্তমানেও তাঁদের চিকিৎসা চলছে। চিন্তার বিষয় হচ্ছে যে লাগাতার বন ধ্বংসের ফলে নীলাচল পাহাড়ের বাঘ খ্যাদের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.