Header Ads

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল-এর প্ৰতিবাদে সরব কৃষক মুক্তি সংগ্ৰাম সমিতি সহ বিভিন্ন দল সংগঠন


 ছবি, সৌঃজি প্লাস
গুয়াহাটিঃ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬-র প্ৰতিবাদে কৃষক মুক্তি সংগ্ৰাম সমিতির নেতৃত্বে গত ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ‘সংকল্প শিখা যাত্ৰা’। এই অন্দোলনে যোগ দিয়েছে আরও ৭০ টি স্থানীয় এবং আঞ্চলিক দল সংগঠন। শুক্ৰবার সকাল থেকেই চলছে আন্দোলনকারীদের ‘দিসপুর ঘেরাও’ আন্দোলন। কৃষক নেতা অখিল গগৈয়ের নেতৃত্বে শদিয়া, ডিফু, জোনাই, ধুবড়ি সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে প্ৰতিবাদকারীরা গুয়াহাটিতে এসে জমায়েত হয়। এদিন গণেশগুড়ি উদ্যানে কৃষক নেতা অখিল গগৈ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্ৰীকে খলনায়ক আখ্যা দিয়ে বলেন, গান্ধী হত্যাকারী আরএসএস, বিজেপির কাছে আত্মসমৰ্পণ করেছেন সৰ্বানন্দ সনোয়াল। শুধু তাই নয়, কেন্দ্ৰ সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, জিএসটি, বিমুদ্ৰাকরণ দেশের অৰ্থনীতিকে ভেঙে দিয়েছে। এখন সরকারের শুধু রাম মন্দির এবং নাগরিকত্ব বিলের প্ৰয়োজন হয়ে পরেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নিৰ্বাচনের আগে রিজাৰ্ভ ব্যাংক থেকে ৩ লক্ষ কোটি টাকা তুলে নিয়ে কংগ্ৰেস আমলের মতো সাধারণ মানুষের মধ্যে সুতো, কম্বল বিলোতে চাইছে সরকার। বাংলাদেশ থেকে হিন্দু, মুসলিমদের নিয়ে এসে অসমিয়াদের সংখ্যালঘুতে পরিণত করতে চাইছে বিজেপি সরকার মন্তব্য করেন তিনি। বিভিন্ন দল সংগঠনের আন্দোলনের ফলে গোটা রাজ্যে সৃষ্টি হয়েছে এক অপ্ৰীতিকর পরিস্থিতির। যার জেরে পুলিশ প্ৰশাসনকে গুয়াহাটিতে জারি করতে হয়েছে ১৪৪ ধারা। কোথাও কোথাও বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে সাময়িকভাবে আটকও করেছে পুলিস। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে পুলিস প্ৰশাসনের তরফে জানানো হয়ছে। আন্দোলনকারীদের ওপর চলে কড়া নজরদারী। এদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্য সরকারকে সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কৃষক মুক্তি সংগ্ৰাম সমিতি সমেত বিভিন্ন স্থানীয় দল সংগঠনগুলি। অন্যথা রাজধানী দিল্লিতে গিয়ে আরও তীব্ৰ আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে তারা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.