Header Ads

বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও পাহাড়ে দূর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে জোর গতিতে


                             
বিপ্লব দেবঃ হাফলং
হাতে গুনা আর মাত্র তিন দিন তারপরই দেবীর বোধন। তাই পাহাড়ে পূজোর প্রস্তুতি চলছে জোর গতিতে। শৈল শহর হাফলঙের পূজো কমিটি গুলির প্যান্ডালে চলছে তুলির শেষ টান। তবে বুধবার থেকে পাহাড়ে বৃষ্টি শুরু হওয়ার জেরে পূজোর প্রস্তুতি কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। আবহওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী তিনদিন পাহাড়ে প্রচুর বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এতেই পূজো কমিটি গুলির কর্মকর্তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। আর এভাবে বৃষ্টি হলে পূজোর পুরো আনন্দ ম্লান করে দিতে পারে। তবে বৃষ্টি বাঁধ সাধলে ও পূজোর প্রস্তুতি কোন খামতি রাখতে চাইছে না হাফলং শহরের প্রানকেন্দ্রের পূজো মা শক্তি দূর্গাপূজা কমিটির কর্মকর্তারা। ওই পূজো কমিটির সম্পাদক অমিতাভ পাল জানান বৃষ্টি কিছুটা আমাদের দুশ্চিন্তায় ফেললে ও আমরা প্রস্তুতিতে কোন ধরনের খামতি রাখতে চাইছিনা আমরা। অমিতাভবাবু বলেন আমাদের পূজোর বাজেট আহামরি কিছু না হলেও পাহাড়ি জেলার এই ছোট্ট শহরে এবার পূজোর বাজেট ছয় লক্ষ টাকা। প্রতিবারের মত এবারও প্রতিমাতে পূজো দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে চমক। তাছাড়া কাল্পনিক মন্দিরের আদলে কাপড় দিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে প্যান্ডাল বলে জানান পূজো কমিটির সম্পাদক অমিতাভ পাল। এদিকে মা শক্তি দূর্গাপূজা কমিটির অন্যতম সদস্য আশিষ দত্ত বলেন এবার তাদের এই পূজো ১৫ বছরে পা দিয়েছে। শহরের প্রানকেন্দ্রে এই পূজো হওয়ার দরুন প্রচুর পূজো দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে এই পূজোতে এবারও এর ব্যাতিক্রম হবে না বলে আশিষবাবু বলেন এবার পূজোয় স্বচ্ছতার উপর বেশী জোর দেওয়া হবে। তিনি বলেন পূজোর তিনদিনই থাকবে মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা। সপ্তমীতে অন্ন প্রসাদ এবং অষ্টমী ও নবমীতে থাকবে খিচুড়ি প্রসাদের ব্যবস্থা। আশিষ দত্ত জানান পূজোর বাজেট ছয় লক্ষ হলে এবার পূজোর চাঁদা তোলতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারন পাহাড়ে সরকারী কর্মচারীদের বেতন এখন পর্যন্ত না হওয়ার দরুন বাজারে তেমন কেনা কাটা নেই তাই আশানুরূপ চাঁদা সংগ্রহ হচ্ছেনা তারপর ও পূজোর প্রস্তুতিতে কোন ধরনের খামতি রাখতে চাইছেনা পূজো কমিটির সদস্যরা। উল্লেখ্য এবার শৈল শহর হাফলঙে মোট পূজোর সংখ্যা হচ্ছে ২২ টি। উল্লেখ্য ডিমা হাসাও জেলায় উৎসবের আমেজ কিছুটা অন্যতম কারন এই ছোট্ট পাহাড়ি ১৭ টি ছোটবড় জাতি জনগোষ্ঠীর বসবাস। আর সব জাতি জনগোষ্ঠীর রয়েছে পৃথক পৃথক উৎসব। আর এই উৎসবের দিনে একে অন্যের উৎসবে সামিল হয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন তাই পাহাড়ে উৎসবের আনন্দ কিছুটা অন্যরকম। আর দীর্ঘদিন থেকে অসমের এই অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ে এভাবে চলে আসছে বিভিন্ন জাতি জনগোষ্ঠীর উৎসব।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.