নোবেল জয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্মদিন
অমর্ত্য সেনের পরে অর্থনীতিতে আর এক বাঙালির নোবেল জয়ের খবর কানে এসেছে বটে বিশেষ কোনও অনুভূতি হয় নি। সেদিন রাতে ডিনার নিজের হাতে তৈরি করলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। মেন কোর্সের জন্য অমলেট, মাশরুম, কড়াইশুঁটি আর চিজ। অল্প আঁচে বানিয়েছিলেন অমলেট। বেশ নরম, খেতে খুবই সুস্বাদু। ডিমের সাদা আর হলুদটা একসঙ্গে ফুটিয়ে সঙ্গে একটু জল দিয়ে দিলেন। নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদের কথায় তিনি জীবনে এত অমলেট বানিয়েছেন মোটামুটি সব সময়েই ঠিকঠাক হয়।
নোবেল জয়ের আগে স্বামী ,স্ত্রী'র কাছে একটা ফোন আসে, গুরুত্বপূর্ণ একটা খবরের জন্য তাদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। পরে আর একটা একই রকমের ফোন পেয়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সহধর্মিণীর মনে হয়েছিল সবটাই হয়তো বানানো, বাজে রসিকতা। তবে শেষ পর্যন্ত বোঝা গেল খবরটা সঠিক। ঘড়িতে তখন পৌনে পাঁচটা, ভোররাত। স্বামী - স্ত্রী একসাথে অর্থনীতিতে নোবেল পাচ্ছেন। তখন আর কি কাজ করার থাকে আর একটু ঘুমিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
অমর্ত্য সেনের পরে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয় বাঙালি যিনি অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন। আমেরিকা সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ,এমন একটা দেশ যেখানে পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হত। তবে গত চল্লিশ বছরে দেশটা অনেকখানি পাল্টে গিয়েছে। পরিশ্রমের সেই মূল্য এখন আর নেই, শ্রেণিবিভাজনটা খুব বেড়েছে।
এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন কলকাতা এমন এক শহর ছিল যেখানে সবাই অন্য জায়গা থেকে আসতেন। এখন মোটামুটি বলা যায়, এখান থেকে সবাই বেরিয়ে যাচ্ছে। কমবয়েসিরা সুযোগ পেলেই শহর ছেড়ে যাচ্ছে। মানে আমরা আর প্রতিভাবানদের আকর্ষণ করছি না।
তাহলে এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের উপায়ও তিনি বলেছেন বাংলাকে যদি ঘুরে দাঁড়াতে হয় তবে নতুন মেধা, নতুন প্রতিভা আকর্ষণ করতে হবে। যে কোনও মহানগরের সেটাই ধর্ম। আজ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিবস, আমাদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
#happybirthday
#NobelLaureate
#chandranisvlog
#bestwishes
#AmartyaSen
তথ্য ঋণ, আনন্দবাজার পত্রিকায় অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার








কোন মন্তব্য নেই