রক্ত স্নাত এগারো ভাষা শহীদ কে বরাক শ্রদ্ধা র সঙ্গে স্মরণ করে
চার্বাক। বদর পুর
বহু রক্তস্নাত বহমান মাতৃভাষা আন্দোলনের পথ পেরিয়ে এসে পেলাম গত ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা দিনটি।তারপর থেকেই বিশ্বব্যাপী ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করতে ভুলেনি মাতৃভাষা প্রেমী সৈনিকরা আজও। এই দিনটি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আজও প্রায় ১৮৮ দেশ হবে এই সুভাতৃত্ব বোধ ও মাতৃভাষা রক্ষায় প্রাণ ও রক্ত বলিদান দেওয়া ভাষা সংগ্রামী সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিয়ে স্মরণ সভা করে তাদের প্রাণ বলিদান দেওয়া সংগ্রামীকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেন করতে ২০২৪ ইং'র ২১শে ফেব্রুয়ারির দিন পালন করতে ভুলে নি। ভারত তথা বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে।বাঙ্গালীরা সমস্ত বিশ্বে ছড়ি ছিটিয়ে আছেন।
গতকাল থেকে এই দিনটি পালনের জন্য প্রস্তুতি পর্ব শেষ করে আজ একুশের ফেব্রুয়ারি দিনটি স্মরণীয় দিন হিসেবে পালন হচ্ছে বরাকবঙ্গেও। নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
অমর বাংলা ভাষা বীর সৈনিক শহীদের শ্রদ্ধ ভরে স্মরণ করা হয় বরাকের বীর ভাষা শহীদেরও। বরাক উপত্যকার মাতৃভাষার জন্য ভাষাব্রতী সন্তানদের প্রাণদানের চিত্রটি মহাবিশ্বে এক বিরল ইতিহাস হয়ে আছে। ভাষা সংগ্রামের বীর সৈনিকদের রক্ত ঝরা দিন আজও মনে করিয়ে দিয়েছে। এই বীরদের সংগ্রামী অভিনন্দন টুকরো বতর্মানে কখনও মাতৃভাষাপ্রেমী বাঙালি ভুলবে না তার মায়ের ভাষা।
১৯৬১ সালের ভাষা আন্দোলনকে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের আন্দোলন স্থগিত করে ভাষা আন্দোলনকারিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা,কুৎসা প্রচাল করে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। ঐদিনের ভাষা আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারত। তবে,তাহলে ভাষা আন্দোলনের ফল অন্যরকম হত।ভাষার অধিকার লাভ করতে পারলে ১৯৭২,১৯৮৬ সালের বারবার মাতৃভাষার জন্য শহীদ হত না। এই ধারণা ইতিহাসের। শিলচরের জল গেইটে কুখ্যাত কালা কানুনের জেরে আটক আইনে বন্দিত্ব থেকে মুক্তি প্রাপ্ত নেতৃত্রয়।বাম হইতে দক্ষিণে শ্রী রথীন্দ্রনাথ সেন,নিশীথরঞ্জন দাস, কাছাড় জেলা গণ-সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নলিনীকান্ত দাস নিবর্তনমুলক আটক হয়ে মুক্ত হতে দেখা গেছে। ফটো কলকাতা থেকে প্রকাশিত সংবাদ পত্র যুগান্তর। ইতিহাসে লিপিবদ্ধ মুক্তির ফটো।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী বিমলা প্রসাদ চালিহি ছাত্রনেতিদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে,১৯৬২ সালের ৩১ ডিসেম্বর মধ্যে মেহেরোত্র তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট করা হবে। আবার বাংলাভাষাকে দ্বিতীয় করার জন্য ১৯৬৩ জানুয়ারি মাসে আসাম বিধানসভায় সংশোধী বিল আনা হবে। ধ্বংসাত্নক কাজে যাদের উপর সাঝাপৌ মামলা ছিল তা প্রত্যাহাল করে নেওয়া হয়েছিল। এই প্রতিশ্রুতি প্রদানের পর ছাত্রনেতাদেল সঙ্গে মুখ্যমন্থ্রীর একযোগ ফটো তুলা হয়েছিল। এটাও ইতিহাস হয়ে আছে "বরাক উপত্যকার রক্তস্নাত বহমান ভাষা আন্দোলনের এক সৈনিকের ডায়েরি "র সৌজন্যে লেখক নিশীখ রঞ্জন দাসে লেখুনির ভাষা আন্দোলনের সুদীর্ঘ ৫১ বৎসর পর গ্রন্থটি রচলার জন্য ভাষা আন্দোলনের দলিলটা আমাদের চিরকাল কাজ লাগবে। আজকের দিনে এটাই আমাদের ভাষায় সংগ্রামের ইতিহাস হয়ে সুরক্ষিত থাকছে।








কোন মন্তব্য নেই