বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিবৃত্ত আজও লড়াই জারি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
নিজ মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন। কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন। গর্ব করার দিন। উদ্যাপনের দিন।
ঐ ভাষাতেই প্রথম বোলে, // ডাকনু মায়ে ‘মা, মা’ বলে; ।। ঐ ভাষাতেই বলবো হরি, // সাঙ্গ হলে কাঁদা হাসা!
মোদের গরব, মোদের আশা, // আ-মরি বাংলা ভাষা!
....................
বাংলাভাষা আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অবিভক্ত ভারতে ১৯১২ সালে মানভূম জেলাকে ভারতের বিহার ও ওড়িশার সাথে যুক্ত করা হয়। সে সময় মানভূমবাসী তাদের জেলাকে বাংলার সাথে যুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। বাংলার সাথে যুক্ত হওয়ার এ আন্দোলন থেকেই মানভূমে ভাষা দাবিও যুক্ত হয়। সে সময় যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল তা ১৯৫৬ সালে সাময়িক ভাবে নতুন জেলা গঠনের মাধ্যমে সমাধান হয়।
.............
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত দ্বিখণ্ডিত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান তৈরি হয়। পূর্ব বাংলা পাকিস্তানে এবং পশ্চিম বাংলা ভারতে যোগ দেয়। বাঙালি হিন্দু পূর্ব বাংলা থেকে ভারতে চলে আসে। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তু ও ছিন্নমূল এই সব হিন্দু বাঙালিরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আশ্রয় নেন। ভারতের বাঙালি রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অন্যান্য অবাঙালী জনজাতি অধ্যুষিত রাজ্যে তাদের পুনর্বাসন দেওয়া হয়। ছত্রিশগড় ,ওড়িশার দণ্ডকারণ্য, মহারাষ্ট্র কর্ণাটক এই রাজ্য গুলির মধ্যে অন্যতম। পুনর্বাসিত এই সকল হিন্দু বাঙালিরা অবাঙালী অধ্যুষিত এই সকল রাজ্যে বৈষম্যের শিকার হয় এবং মাতৃভাষা বাংলার পঠনপাঠন ও সরকারি মর্যাদার দাবিতে আন্দোলনে নামেন।
................
আসাম
আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যদিও জনসংখ্যার এক উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল বাংলাভাষী। বরাক উপত্যকায়, বাংলাভাষী জনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ। প্রধান ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে ঘটে, সেদিন ১১ জন প্রতিবাদীকে শিলচরে প্রাদেশিক পুলিশ হত্যা করে।
১০ অক্টোবর, ১৯৬০ সালের সেই সময়ের অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিমলা প্রসাদ চলিহা অসমীয়াকে আসামের একমাত্র সরকারী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। উত্তর করিমগঞ্জ-এর বিধায়ক রনেন্দ্র মোহন দাস এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু ২৪ অক্টোবর প্রস্তাবটি বিধানসভায় গৃহীত হয়।
১৯৬১ সালে ১৯ মে' তে শিলচর, করিমগঞ্জ ও হাইলাকান্দিতে হরতাল ও পিকেটিং আরম্ভ হ'ল। করিমগঞ্জে আন্দোলনকারীরা সরকারী কার্যালয়, রেলওয়ে স্টেশন, কোর্ট ইত্যাদিতে পিকেটিং করেছিলেন। শিলচরে তারা রেলওয়ে স্টেশনে করেছিলেন। ওই দিন ২:৩৫ নাগাদ স্টেশনের সুরক্ষায় থাকা প্যারামিলিটারী বাহিনী আন্দোলনকারীদেরকে বন্দুক ও লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে। এরপর সাত মিনিটের ভিতর তারা ১৭ রাউণ্ড গুলি আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে চালায়। ১২ জন লোকের দেহে গুলি লেগেছিল। তাদের মধ্যে ন'জন সেদিনই নিহত হয়েছিল। দু'জন পরে মারা যান। ২০ মে তে শিলচরের লোকজন শহীদদের শবদেহ নিয়ে প্রতিবাদ সাব্যস্ত করেছিলেন। এই ঘটনার পর অসম সরকার বরাক উপত্যকায় বাংলাকে সরকারী ভাষা হিসাবে ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।
.........................
ছত্রিশগড়
১৯৪৭ এর দেশ ভাগের পর পূর্ব বাংলার হিন্দু উদ্বাস্তুদের দণ্ডকারণ্য প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩২ টি গ্রামে পুনর্বাসন দেওয়া হয়, যার মধ্যে ৩৩ টি গ্রামই পখাঞ্জুরে অবস্থিত। পরবর্তী কালে বাঙালিদের বাংলায় পঠনপাঠন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু, দণ্ডকারণ্য প্রজেক্ট বন্ধ হলে ছত্রিশগড় সরকার পরে বাংলায় শিক্ষার ব্যবস্থা বন্ধ করে দেন। বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় গুলিকে হিন্দি মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়। সামান্য কিছু বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় থাকলেও সেখানে বাংলা মাধ্যম পুস্তক সরবরাহ করা হয় নি। বাঙালি পড়ুয়ারা বৈষম্যের মুখোমুখি হয়। পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে নিখিল ভারত বাঙালি উদ্বাস্তু সমিতির নেতৃত্বে আন্দোলনের রূপ ধারণ করে বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বাংলায় পঠনপাঠন এবং সরকারি কাজে বাংলা ব্যবহারের দাবিতে আন্দোলন চলতে থাকে। ছত্রিশগড়ের পখাঞ্জুর থেকে শুরু করে রাজধানী দিল্লিতে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সাময়িক কিছু সমস্যার সমাধান হলেও বাকি দাবিতে সংগ্রামকারীরা আজও আন্দোলনরত।
...............
কর্ণাটক
পূর্ববঙ্গের উদ্বাস্তু হিন্দুদের এক অংশ দক্ষিণাত্যের কর্ণাটক রাজ্যের মুলত রাইচুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে আশ্রয় নেয়। সেখানের বাঙালি পড়ুয়াদের বাংলায় পাঠনপাঠনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বাংলা মাধ্যমের দাবিতে ও বাংলা ভাষাকে পাঠ্য বিষয় হিসেবে গ্রহণ করার জন্য কর্ণাটকের বাঙালিরা আন্দোলন করেছিল। তাদের আন্দোলনের দাবি মেনে নিয়ে বাঙালি অধ্যুষিত গ্রাম গুলিতে বাংলা পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করে কর্ণাটক সরকার। বাঙালিদের আন্দোলনে বাংলাকে কর্ণাটকের দ্বিতীয় ভাষার স্বীকৃতি দেয় কর্ণাটক সরকার।
................
বিহার
ভারত সরকার তৎকালীন বিহার রাজ্যের মানভূম জেলায় বসবাসকারী বাংলাভাষী মানুষদের মধ্যে জোর করে হিন্দী ভাষা চাপিয়ে দিতে গেলে তারা বাংলা ভাষার জন্য এই আন্দোলন করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নতুন জেলা তৈরী করতে সরকারকে বাধ্য করেন।
১৯৫৬ সালের আগে পুরুলিয়া বিহারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাজনৈতিক ভাবে বিহারের স্কুল-কলেজ-সরকারি দপ্তরে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সময় জাতীয় কংগ্রেসের মাধ্যমে আন্দোলন করার চেষ্টা করা হয়; কিন্তু, বাংলা ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় অবশেষে পুরুলিয়া কোর্টের আইনজীবী রজনীকান্ত সরকার, শরৎচন্দ্র সেন এবং গুণেন্দ্রনাথ রায় জাতীয় কংগ্রেস ত্যাগ করে জাতীয়তাবাদী আঞ্চলিক দল লোকসেবক সঙ্ঘ গড়ে তোলেন। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে তাদের সুদৃঢ় আন্দোলন করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৬ এই আন্দোলন তীব্র ভাবে প্রতিভাত হয়।
........................
ঝাড়খণ্ড
ঝাড়খন্ড পশ্চিমবঙ্গের শুধু প্রতিবেশী রাজ্যেই নয়, প্রাচীন বঙ্গ এর পশ্চিম অংশ রাঢ় অঞ্চলের অংশ বিশেষ এই রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই রাজ্যের একাধিক জেলায় বাঙালি সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও জেলাগুলি পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এছাড়াও বাংলা ঝাড়খন্ডের বাঙালি ও উপজাতিদের (এদের মুলনিবাসী বাঙালি বলা হয়) সংযোগকারী ভাষা। কিন্তু, হিন্দি ইংরেজি ও উর্দু এই রাজ্যের প্রধান সরকারি ভাষার মর্যাদা পেলেও বাংলা আজও প্রধান সরকারি ভাষার মর্যাদা পায়নি। ঝাড়খন্ডের একাধিক বাঙালি সংগঠন ও উপজাতি সংগঠন বাংলাকে প্রধান সরকারি ভাষা ঘোষণার দাবিতে দীর্ঘদিন সাংগ্রামরত। ঝড়খণ্ডে বাঙালিদের আন্দোলনের চাপে ২০১০ সালে বাংলাকে এই রাজ্যের দ্বিতীয় সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও, তা কার্যকরী হয় নি। এছাড়াও বাঙ্গালা ভাষী পড়ুয়ারা বঞ্চনার শিকার হয়েছে, বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় গুলিকে হিন্দি মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়েছে।
...............
দিল্লি
১৯৪৭ এর ভারত ভাগ ও ১৯৭১ এর পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পূর্ববঙ্গের উদ্বাস্তু হিন্দুরা ভারতেও রাজধানী দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছিলো। এই সময় দিল্লিতে তাদের মূল বাসভূমি ছিল চিত্তরঞ্জন পার্ক। এছাড়াও বিভিন্ন সময় পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম ও ভারতের অন্যান্য বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্য থেকে বাঙালিরা দিল্লিতে আসায় পাঞ্জাবীদের পর বাঙালিই দিল্লির দ্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যালঘু জাতি। ভারতের জনগণ অনুযায়ী দিল্লিতে আনুমানিক ২৫ লক্ষ বাঙালির বাস। কিন্তু, সেখানেও বাঙালিরা বৈষম্যের স্বীকার। দিল্লিতে অন্যান্য ভাষার নিজস্ব একাডেমি থাকলেও বাংলা ভাষা একাডেমি নেই। বাঙালি পড়ুয়াদের জন্য বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় নগণ্য। কাজেই দিল্লির বাঙালিরা ভাষার অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত। বাঙালিদের আন্দোলনের জেরে বর্তমানে দিল্লিতে একটি বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চলছে।
...............................
উত্তর দিনাজপুর
২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাঁড়িভীট বিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার শিক্ষকের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ছাত্রদের দাবি বাংলার শিক্ষক না থাকা সত্ত্বেও বাংলা ভাষার জন্য শিক্ষক নিয়োগ না করে উর্দুভাষায় শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। বাঙালি জাতির উপর এহেন অন্যায়ের প্রতিবাদে মাতৃভাষাপ্রেমী বিদ্যালয়ের বাঙালি ছাত্রছাত্রী, প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, গ্রামের অন্যান্য তরুণ-তরুণী ও অভিভাবকমণ্ডলী সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করেন। এতে তিনজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়। এর মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়।
.............
তথ্য সংগৃহীত - প্রতাপ সাহা (https://www.facebook.com/pratapcsaha)। ধন্যবাদ।
..........
বাংলা ভাষা – আতুলপ্রসাদ সেন
মোদের গরব, মোদের আশা,
আ-মরি বাংলা ভাষা!
তোমার কোলে,
তোমার বোলে,
কতই শান্তি ভালোবাসা!
কি যাদু বাংলা গানে!
গান গেয়ে দাঁড় মাঝি টানে,
গেয়ে গান নাচে বাউল,
গান গেয়ে ধান কাটে চাষা!
বিদ্যাপতি, চণ্ডী, গোবিন্,
হেম, মধু, বঙ্কিম, নবীন-
ঐ ফুলেরই মধুর রসে,
বাঁধলো সুখে মধুর বাসা!
বাজিয়ে রবি তোমার বীণে,
আনলো মালা জগৎ জিনে!
তোমার চরণ-তীর্থে আজি,
জগৎ করে যাওয়া-আসা!
ঐ ভাষাতেই নিতাই গোরা,
আনল দেশে ভক্তি-ধারা,
আছে কৈ এমন ভাষা,
এমন দুঃখ-শ্রান্তি-নাশা?
ঐ ভাষাতেই প্রথম বোলে,
ডাকনু মায়ে ‘মা, মা’ বলে;
ঐ ভাষাতেই বলবো হরি,
সাঙ্গ হলে কাঁদা হাসা!
মোদের গরব, মোদের আশা,
আ-মরি বাংলা ভাষা!
................................
আমি বাংলায় গান গাই
গীতিকার, সুরকার এবং গায়ক – প্রতুল মুখোপাধ্যায়।।
আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলায় গান গাই,
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর
বাংলা আমার জীবনানন্দ বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ।
আমি বাংলায় কথা কই, আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় চিত্কার
বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান ক্ষিপ্ত তীর ধনুক,
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ।
আমি বাংলায় ভালবাসি, আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি
আমি যা’কিছু মহান বরণ করেছি বিনয় শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায়
বাংলা আমার তৃষ্ণার জল তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ।
.........
বঙ্গভাষা - মাইকেল মধুসূদন
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;--
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি!
অনিদ্রায়, অনাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;--
কেলিনু শৈবালে, ভুলি কমল-কানন!
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে, --
"ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?
যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যারে ফিরি ঘরে।"
পালিলাম আজ্ঞা সুখে' পাইলাম কালে
মাতৃভাষা-রূপ খনি, পূর্ণ মণিজালে।।
...........
তথ্য সংগৃহীত - প্রতাপ সাহা (https://www.facebook.com/pratapcsaha)। ধন্যবাদ।
..........








কোন মন্তব্য নেই