মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার করলেন তিন দম্পতি সহ বদরপুরের দশজন
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, বদরপুর : রেল শহর বদরপুরের বিশিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সংগঠন ঝিনুক-র ব্যবস্থায় এবং হিউম্যান সায়েন্স ফোরামের শিলচর শাখার সহযোগিতায় রবিবার মরণোত্তর দেহদান অঙ্গীকার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে করিমগঞ্জের একজন সহ বদরপুরের নয়জন মোট দশজন চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতিকল্পে মৃত্যুর পর নিজেদের মরদেহ দান করার অঙ্গীকার করেন। বদরপুরের শ্যামলী দে, কাজল দে, রঞ্জন কুমার তালুকদার, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য , বাদল চক্রবর্তী , শিখা চক্রবর্তী , মীনা ভট্টাচার্য , বরুণ ভট্টাচার্য , কল্পনা ভট্টাচার্য এবং করিমগঞ্জের মনোজ রঞ্জন দেব এদিন মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার করেন। এদের মধ্যে তিনজন দম্পতি। বরাক উপত্যকায় এখন পর্যন্ত ২৪০ জন ব্যক্তি চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতিকল্পে নিজেদের মরদেহ দান করার অঙ্গীকার করেছেন। দান হয়েছে বারোটি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতিতে মরদেহের গুরুত্ব অপরিসীম।ডাক্তারি পড়তে আসা ছাত্র ছাত্রীর হাতেকলমে শিক্ষার জন্য মরদেহ দরকার। শবব্যবচ্ছেদ ছাড়া প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ হয়না। একসময় বেওয়ারিশ লাশই ছিল ভরসা। কিন্তু বতর্মান আইনে বেওয়ারিশ লাশ ৪৮ ঘন্টা মর্গে দাবিদারদের অপেক্ষায় রেখে দিতে হয়। এতে মরদেহে পচন ধরে। আর পচন ধরা মরদেহ ব্যবচ্ছেদের পক্ষে উপযোগী নয়। এছাড়া মৃত্যুর ছয় ঘন্টার মধ্যে ৪° সেলসিয়াসে হিমায়িত করে রাখা মরদেহ থেকে কর্নিয়া চামড়া হার্ট ভালভ হাড় মজ্জা কার্টিলেজ টেণ্ডন মাংসপেশি কানেড় হাড় পরদা ২৪ ঘন্টা পযর্ন্ত অন্য রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব। এতে অনেক ব্যাক্তি উপকৃত হতে পারবে। হিউম্যান সায়েন্স ফোরামের পক্ষে বিবেক আচার্য মৌপিয়া চৌধুরী সুমন দে ফারুক লস্কর কমল চক্রবর্তী টিংকু গুপ্ত প্রমুখ উপস্থিতদের সামনে এই তথ্য তুলে ধরেন।









কোন মন্তব্য নেই