নেতাজির জন্ম দিনে জাতীয় ছুটি, দেশপ্রেম দিবসের দাবি কি কেন্দ্র মানবে
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন,
গুয়াহাটি :
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের ১২৫ তম জন্মদিন উদযাপনের জন্যে কেন্দ্রীয়
সরকার দেশজুড়ে
এক উচ্চপর্যায়ের কমিটি গড়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ২৩ জানুয়ারি
তার জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হঠাৎ কলকাতা সফরে আসতে পারেন বলে সাংসদ অধীর চৌধরী সংবাদ
মাধ্যমকে জানিয়েছেন। নেতাজির জন্ম দিনকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা ও দেশপ্রেম দিবস
হিসেবে ঘোষণার
দাবি জানিয়েছেন পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দাবি কেন্দ্র
মেনে নিতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে পৃথক পরিকল্পনা কমিশন
গঠন করার কথা
জানিয়েছেন। বর্তমান বিজেপি সরকার নেতাজির হাতে গড়া পরিকল্পনা কমিশন ভেঙে নীতি আয়োগ গঠন করেছে। ১৯৫২ সালে
নেতাজি দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এই কমিশন গঠন করেছিলেন। দেশের ৭০ তম স্বাধীনতা দিবস পার হয়ে যাবার পরও যার
জন্যে ভারতবাসী স্বাধীনতা ভোগ করছেন।সেই নেতাজিকে কেন্দ্রীয় সরকার আজও
প্রাপ্য সম্মান দিলো
না, এই
মহান ব্যক্তির জন্ম দিনে জাতীয় ছুটি পর্যন্ত ঘোষণা করা হল না। তার মৃত্যু রহস্য
নিয়ে আজও রাজনীতি চলছে।প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি নেহেরু পরিবারের
বিরুদ্ধে
কথা বলার সৎ সাহস ছিল
না। নেতাজি ১৯৪৫ সালে
টাইহকুতে বিমান দুর্ঘটনাতে মারা যান নি। নানা তথ্যে তা প্রমাণিত, অথচ এই নেতাজি বিরোধী প্রণববাবু জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা
নেতাজির তথাকথিত ভস্মধার ভারতে আনার চেষ্টা করেছিলেন বলে নেতাজি প্রেমি দের
অভিযোগ। নেতাজির
মৃত্যু রহস্যের
সব ফাইল
আজও খোলা হল না। আন্তর্জাতিক
চুক্তির অজুহাতে সব
রহস্য আজও ঢাকা পড়ে
আছে। জন্মদিন আসছে খুব চর্চা
হবে, বাঙালিরা নেতাজিকে
নিয়ে পুজো
করবে। মাত্র
একদিন তার পরামায়ু, দুদিন
বাদেই রাজনীতি
শুরু। আবার আগামী বছর। নেতাজীর একান্ত চেষ্টা ছাড়া অসম হাত ছাড়া হয়ে যেত, গোপীনাথ বরদলৈয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে
নেতাজি মুসলীম
লীগের হাত থেকে অসমকে এক প্রকার ছিনিয়ে এনে ছিলেন। অসমের বর্তমান প্রজন্ম সেই খবর
রাখেন না।









কোন মন্তব্য নেই