সিইএম দেবোলাল গার্লোসার পদত্যাগ ইস্যুতে বিজেপি কংগ্রেস সম্মুখ সমরে
বিপ্লব দেব, হাফলং, ১ জুলাইঃ
উত্তর কাছাড় পার্বত্য পরিষদের সিইএম দেবোলাল গার্লোসার পদত্যাগ ইস্যুতে বিজেপি এবং কংগ্রেস দল সন্মুখ সমরে। মঙ্গলবার হাফলং রাজীব ভবনে ডিমা হাসাও জেলা কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক কালীজয় সেঙ্গইয়ং এক সাংবাদিক সন্মেলন করে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের তৎকালীন সিইএম পূর্নেন্দু লাংথাসা ও ইএম নিন্দু লাংথাসার খুনে অভিযুক্ত পার্বত্য পরিষদের বর্তমান সিইএম দেবোলাল হোজাইকে নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করা উচিত।
এনিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ডিমা হাসাও জেলা বিজেপি হাফলং বাজপেয়ী ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে কংগ্রেসের কঠোর সমালোচনা করে জেলা বিজেপির সাধারন সম্পাদক সুজয় লাংথাসা বলেন পূর্নেন্দু নিন্দু লাংথাসা হত্যাকান্ড নিয়ে পুলিশ ইতিমধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে এখন আদালতে এর বিচার প্রক্রিয়া চলবে এখনও এই খুনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করেনি আদালত আমাদের বিচার ব্যবস্থার উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আদালত এই মামলার যে রায় দিবে বিজেপি দল মাথা পেতে মেনে নেবে বলে মন্তব্য করে সুজয়বাবু বলেন এই অবস্থায় দেবলাল গার্লোসার পার্বত্য পরিষদের সিইএম পদ থেকে পদত্যাগ করার কোনও প্রশ্নই উঠেনা। সুজয় লাংথাসা সাংবাদিক সন্মেলনে আরো বলেন কংগ্রেস দলকে আদর্শ নীতি নিয়ে কথা বলার কোনও অধিকার নেই তিনি বলেন কংগ্রেস দলের আদর্শ নীতি থাকলে আজ পূর্নেন্দু লাংথাসা ও নিন্দু লাংথাসা আজ জীবিত থাকতেন। সূজয় লাংথাসা বলেন ৯০-র দশকে এই পাহাড়ি জেলার যুবক যুবতীরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে শসস্ত্র আন্দোলনের পথে পা বাড়িয়েছিল সে সময়ত কেন্দ্র ও রাজ্যে কংগ্রেসেরই সরকার ক্ষমতায় ছিল। ২০০৭ সালে পূর্নেন্দু ও নিন্দু লাংথাসার হত্যার পর সে সময় তরুন গগৈ নেতৃত্বে কংগ্রেস দল ক্ষমতায় ছিল কিন্তু সে সময় এই হত্যাকান্ড নিয়ে কংগ্রেস দল কোনও তদন্ত করায় নি কেন এ প্রশ্ন তুলে সুজয় লাংথাসা বলেন এখন এনিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে কংগ্রেস। তবে বিজেপি দলের এতে কিছু আসে যায় না। বিজেপি দলের একমাত্র লক্ষ্য ডিমা হাসাও জেলার সার্বিক বিকাশ। আর এক্ষেত্রে সিইএম দেবোলাল গার্লোসার নেতৃত্বে ডিমা হাসাও জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ তরান্বিত হচ্ছে বলে সাংবাদিক সন্মেলনে মন্তব্য করেন সুজয় লাংথাসা। সাংবাদিক সন্মেলনে অনান্যদের উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি দনপাইনন থাওসেন,পার্বত্য পরিষদের ইএম স্যামুয়েল চাংসন, ও পরিষদ সদস্য তথা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি ঈশ্বরী প্রসাদ যইশী প্রমুখ।
উত্তর কাছাড় পার্বত্য পরিষদের সিইএম দেবোলাল গার্লোসার পদত্যাগ ইস্যুতে বিজেপি এবং কংগ্রেস দল সন্মুখ সমরে। মঙ্গলবার হাফলং রাজীব ভবনে ডিমা হাসাও জেলা কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক কালীজয় সেঙ্গইয়ং এক সাংবাদিক সন্মেলন করে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের তৎকালীন সিইএম পূর্নেন্দু লাংথাসা ও ইএম নিন্দু লাংথাসার খুনে অভিযুক্ত পার্বত্য পরিষদের বর্তমান সিইএম দেবোলাল হোজাইকে নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে পদত্যাগ করা উচিত।
এনিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ডিমা হাসাও জেলা বিজেপি হাফলং বাজপেয়ী ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে কংগ্রেসের কঠোর সমালোচনা করে জেলা বিজেপির সাধারন সম্পাদক সুজয় লাংথাসা বলেন পূর্নেন্দু নিন্দু লাংথাসা হত্যাকান্ড নিয়ে পুলিশ ইতিমধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে এখন আদালতে এর বিচার প্রক্রিয়া চলবে এখনও এই খুনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করেনি আদালত আমাদের বিচার ব্যবস্থার উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আদালত এই মামলার যে রায় দিবে বিজেপি দল মাথা পেতে মেনে নেবে বলে মন্তব্য করে সুজয়বাবু বলেন এই অবস্থায় দেবলাল গার্লোসার পার্বত্য পরিষদের সিইএম পদ থেকে পদত্যাগ করার কোনও প্রশ্নই উঠেনা। সুজয় লাংথাসা সাংবাদিক সন্মেলনে আরো বলেন কংগ্রেস দলকে আদর্শ নীতি নিয়ে কথা বলার কোনও অধিকার নেই তিনি বলেন কংগ্রেস দলের আদর্শ নীতি থাকলে আজ পূর্নেন্দু লাংথাসা ও নিন্দু লাংথাসা আজ জীবিত থাকতেন। সূজয় লাংথাসা বলেন ৯০-র দশকে এই পাহাড়ি জেলার যুবক যুবতীরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে শসস্ত্র আন্দোলনের পথে পা বাড়িয়েছিল সে সময়ত কেন্দ্র ও রাজ্যে কংগ্রেসেরই সরকার ক্ষমতায় ছিল। ২০০৭ সালে পূর্নেন্দু ও নিন্দু লাংথাসার হত্যার পর সে সময় তরুন গগৈ নেতৃত্বে কংগ্রেস দল ক্ষমতায় ছিল কিন্তু সে সময় এই হত্যাকান্ড নিয়ে কংগ্রেস দল কোনও তদন্ত করায় নি কেন এ প্রশ্ন তুলে সুজয় লাংথাসা বলেন এখন এনিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে কংগ্রেস। তবে বিজেপি দলের এতে কিছু আসে যায় না। বিজেপি দলের একমাত্র লক্ষ্য ডিমা হাসাও জেলার সার্বিক বিকাশ। আর এক্ষেত্রে সিইএম দেবোলাল গার্লোসার নেতৃত্বে ডিমা হাসাও জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ তরান্বিত হচ্ছে বলে সাংবাদিক সন্মেলনে মন্তব্য করেন সুজয় লাংথাসা। সাংবাদিক সন্মেলনে অনান্যদের উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি দনপাইনন থাওসেন,পার্বত্য পরিষদের ইএম স্যামুয়েল চাংসন, ও পরিষদ সদস্য তথা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি ঈশ্বরী প্রসাদ যইশী প্রমুখ।









কোন মন্তব্য নেই