Header Ads

মোদী কাশ্মীরে মহাপ্রলয় শুরু করেছে, আমাদের সাহায্যে কেউ নেই : পাক সাংবাদিক মীর হামিদ

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় : সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট এয়ার স্ট্রাইককে নজরে রেখে পাকিস্তান ভারতকে পরমাণু আক্রমণের হুমকি দেওয়া ছেড়ে দিয়েছে। পাকিস্তান এখন ভারতকে সামরিক হুমকি দেয় না। যার জন্য পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকরা বেশ ছটফট করছে। আগে পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকরাও পরমাণু যুদ্ধ নিয়ে হুমকি দিত। কিন্তু মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদের মুখে তালা পড়ে গেছে।
গত কিছুদিন ধরে মোদি সরকার জম্মু কাশ্মীরকে নিয়ে একটা  বিশেষ রণনীতির অধীনে কাজ করছে, মোদি সরকার কাশ্মীরে সেনার নিযুক্তি বাড়িয়েছে এবং গত ২৪ ঘন্টায় অনেক কিছু ঘটনা ঘটেছে। মোদী জম্মু-কাশ্মীরে ৩৮,০০০ হাজার সৈন্য নামিয়েছে। কাশ্মীরের বড়ো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে।  জম্মু-কাশ্মীরে ভ্রমণে যাওয়া ব্যাক্তিদের ফিরে আসার অনুরোধ করা হয়েছে। ইঙ্গিত ধারা ৩৭০ ও ৩৫-এ বিলুপ্তির দিকে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কাশ্মীরে যা কিছু হচ্ছে তাতে কাশ্মীরে ধার্মিক উন্মাদ তথা পাগল নেতা ও হুরিয়াতের সন্ত্রাসবাদীরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে। শুধু এরা নয়, পাকিস্তানের সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরাও ক্ষেপে আছে। পাকিস্তানের খ্যাতিমান সাংবাদিক হামীদ মীর এতটাই চিন্তিত যে তার চিন্তা রীতিমতো বিস্ময়কর।
হামিদ মীর বলেছেন-কাশ্মীরে মোদি আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন আর এশিয়াকে একটি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু কেউ সাহায্য করছে না, এমনকি ডোনাল্ডো ট্রাম্পও মোদির সামনে অসহায় হয়ে পড়েছেন। মোদী কাশ্মীরে মহা প্রলয় শুরু করেছেন বলে মীর হামিদের দাবি।
এর আগেও অনেক পাকিস্তান বুদ্ধিজীবী কাল থেকেই বেশ ক্ষেপে আছে, অনেকে এটাই ভেবে ও মেনে চলেছে যে মোদি কাশ্মীর থেকে ধারা ৩৭০ ও ৩৫-এ সরিয়ে ফেলতে চলেছেন। তবে কাশ্মীর নিয়ে কেন পাকিস্তান হৈ-চৈ করছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.