Header Ads

সংখ্যালঘুদের নিয়ে আর ছুঁৎমার্গ নেই বিজেপিতে, বাংলায় সদস্য বৃদ্ধির পরিসংখ্যানে বড় চমক

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় : বিজেপি আর সংখ্যালঘু একে অপরের পরিপন্থী ছিল এতদিন। সংখ্যালঘুরা শত যোজন দূর দিয়ে যেতেন 'সাম্প্রদায়িক' বিজেপির। কিন্তু সম্প্রদায়গত রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে এখন বিজেপিতেও সংখ্যালঘুদের ঢল নামছে। লোকসভা ভোটে সাফল্যের পর বিজেপি যে সদস্য অভিযান শুরু করেছিল, সেখানে সংখ্যালঘু মুখের ভিড়ও কম যায় না।
পশ্চিমবঙ্গে মোট ৮১ লক্ষ সদস্য বানিয়েছে বিজেপি। তার মধ্যে দু-লক্ষ সংখ্যালঘু সদস্য রয়েছে বলে বিজেপির দাবি। এত সংখ্যালঘু মানুষ আসছেন যে বিজেপি রাজ্য দখলে আশার আলো দেখছে। হিন্দু ভোট ব্যাঙ্ক তো তৈরিই তার সঙ্গে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ক থেকে যদি ভোটাররা বেরিয়ে আসেন তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার আটকায় কার সাধ্যি।
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদানের পরই সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপির প্রবেশদ্বার অনেক সহজ হয়েছে। বহু সংখ্যালঘু বুক ফুলিয়ে বিজেপিতে ঢুকছেন। এতদিন অন্য রাজ্যে এই প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও, বাংলায় সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিজেপিকে নিয়ে ছুঁৎমার্গ ছিল। এখন তা অনেকটাই কেটে গিয়েছে।
বঙ্গ বিজেপিতেও এখন মোদীর সেই স্লোগান ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ' রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন দিলীপ ঘোষ-মুকুল রায়রা। ৩০ শতাংশ মুসলিম সংখ্যালঘু ভোটারের কাছে পৌঁছতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। তাই সংখ্যালঘু মোর্চাকে তাঁরা কাজে নামিয়ে দিয়েছে।
শুক্রবার পার্টির সংখ্যালঘু মোর্চাকে নিয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ। সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলি হোসেন-সহ বিজেপির আরও সংখ্যালঘু নেতারা। বিজেপি চায়, সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্যরা কাশ্মীর পরিস্থিতি, এনআরসি ও নাগরিকত্ব বিল নিয়ে মানুষকে বোঝাক।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.