Header Ads

প্রশান্ত কিশোরের ফের এক ছক্কা, ‘মমতাকে নিয়ে আপনি গর্বিত কেন লিখুন’ !!


বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়
 
গত লোকসভা নির্বাচনে যারা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে তাদের মধ্যে অন্ততঃ ২৫% ভোটার (যারা একই সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মী) আশা করা যায় জানাবার চেষ্টা করবেন তাঁরা মমতাকে নিয়ে কেন গর্ববোধ করেন। বলা বাহুল্য এরা সকলেই যথাসাধ্য বাক্য সাজাবেন আবেগ ও উচ্ছ্বাস মিশিয়ে। যারা গর্ববোধ করবেন তারা এমন একটি শব্দও ব্যবহার করবেন না যার মধ্যে বিন্দুমাত্র সমালোচনার আভাস থাকে--থাকলে গর্ববোধ ফিকে হয়ে যাবে--নম্বর পাওয়া যাবে না।


তৃণমূলের জনসংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রশান্ত’র এই নবতম ছক্কাটি কতদূর কাজের কাজ করবে তা নিয়ে অনেকেই চিন্তা করতে শুরু করে দিয়েছেন। তৃণমূলের পক্ষের ২৫% ভোটার যদি তাদের গর্ববোধের কারণ ব্যাখ্যা করে যথাস্থানে লিখে পাঠাতে থাকেন তাহলে প্রায় কোটির কাছাকাছি লিপি পাঠ করতে হবে প্রশান্ত কিশোরের মেধাবী কর্মীদের। সেইসব লিপি’র সারমর্ম বুঝে গুরুত্ব অনুসারে শর্টিং করতে হবে--বিশ্লেষণ করতে হবে। তাঁরা তা করবেনও--কিন্তু ঐসব আবেগতাড়িত লিপি থেকে তারা কি মর্মোদ্ধার করবেন সেটা অনুমান করা খুব একটা কঠিন নয়। লিপির সংখ্যার ভিত্তিতে একটা বিষয় শুধু স্পষ্ট হবে--নেতা-কর্মীদের মধ্যে মমতার ভক্তি-শ্রদ্ধা কতটা অটুট রয়েছে। কিন্তু বিন্দুমাত্র আঁচ পাওয়া যাবে না--মমতাকে নিয়ে যারা হতাশ হচ্ছেন অথবা তাঁর ওপর ভরসা হারিয়ে ‘অন্য কথা’ ভাবছেন তাদের সংখ্যাটা কতটা বেড়েছে বা বেড়ে চলেছে। অনুসন্ধানের বিষয় হওয়া উচিত ছিল এটাই--বিশেষ করে এই মুহূর্তে।
‘‘আমি মমতাকে নিয়ে গর্ববোধ করি না--এবং কেন করি না’’ এ কথা একজনও লিখবেন না। লেখার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলেও কেউ তা লিখবেন না। তবু ‘‘মমতাকে নিয়ে আপনি গর্বিত’’--এই বাক্যটি বাজারে ছেড়ে কি সত্যি সত্যি কিছু উপকার হবে--নাকি জনসংযোগের বদলে জন-দূরত্বকেই কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হবে? এই প্রশ্ন নিয়ে অনেকেই ভাবছেন।
এই বিষয়টা নিয়ে পরে আরও কিছু লেখার ইচ্ছে আমার থাকছে--প্রতিক্রিয়াটা তার আগে একটু বুঝে নিতে হবে !

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.